বুদ্ধিজীবীদের স্বরণ করে জুরাছড়িতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন


স্মৃতিবিন্দু চাকমা    |    ০৬:০৭ পিএম, ২০২০-১২-১৪

বুদ্ধিজীবীদের স্বরণ করে জুরাছড়িতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন

প্রতি বছর ১৪ ই ডিসেম্বর আসলে সারাদেশে শ্রদ্ধার শহীতে পালন হয় শহীদ বৃদ্ধিজীবী দিবস। এই দিনে পাকিস্তানের দোসর রাজাকার,আলবদর,আল-শামস বাহিনী পরিকল্পনা করে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করে।বিজয়ের মাত্র দুই দিন আগে ঘটে এমন মর্মান্তিক হত্যাযজ্ঞ। এতে অসংখ্য শিক্ষাবিদ,গবেষক,চিকিৎসক,প্রকৌশলী,সাংবাদিক ও কবি সাহিত্যকদের পাকিস্তানের দোসরা হত্যা করে। পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাংলার মেধাশূন্য করার উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবি নিধনের পরিকল্পনা করে পাকিস্তানী বাহিনী। আজকের দিনটি পৃথিবীর ইতিহাসে এক  কালো অধ্যায়। তাই এবার করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিসব পালন করা হচ্ছে।

সারাদেশের ন্যায় জুরাছড়ি উপজেলা প্রশাসনের উদ্দ্যোগেও আজ ১৪ ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার চাকমা,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জীতেন্দ্র কুমার নাথ,ভাইস চেয়ারম্যান রিটন চাকমা,মিসেস আলপনা চাকমা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ এবং বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা বৃন্দ।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালে যুদ্ধে বাঙালি বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে এসে উপস্থিত তখন পাকিস্তানের গভর্নরের সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর পরিকল্পনা মাফিক এদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নিঃশেষ করে বাঙালিকে মেধাশুন্য করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেন। তারই পরিকল্পনা মাফিক এসব বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকরা হয়।
বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ এই দিনকে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিসব হিসেবে ঘোষনা করেছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়।

ভাইস চেয়ারম্যান রিটন চাকমা বলেন,এই হত্যাযজ্ঞের মধ্যে কতজন শহীদ হয়েছেন তা এখনো অজানা।তাই আগামী প্রজম্মের সামনে এই হত্যার বিষয় সঠিক তথ্য তুলে দিতে না পারলে তারা কিভাবে সঠিক বিচার করবে।তাই আগামী প্রজম্মদের মাঝে বুদ্ধিজীবীর হত্যার সঠিক তথ্য তুলে দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।