পৌরসভার গণশৌচাগারের বেহাল অবস্থা: দুর্ভোগে জনসাধারণ 


গোলাম মোস্তফা    |    ১২:২৩ পিএম, ২০২০-১২-০৯

পৌরসভার গণশৌচাগারের বেহাল অবস্থা: দুর্ভোগে জনসাধারণ 

রাঙামাটি শহরের ভেদভেদী এলাকার পৌরসভার গণশৌচাগারের বেহাল দশা। ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, দীঘদিন সংস্কার না হওয়ায় পথচারী থেকে শুরু করে সিএনজি চালক, ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গণশৌচাগারটির প্রতিটি দরজা ভেঙে নষ্ট হয়ে গেছে, ভেতরের অবস্থাও করুণ। দুর্গন্ধের জন্য ভেতরে যাওয়া যায় না,গণশৌচাগারের সামনে ময়লার স্তুপ। 

সোমবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে কয়েকজন পথচারীকে এবিষয়ে জিজ্ঞাস করা হলে তারা বলেন, আমরা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে এদিক ওদিক ছুটাছুটি করে একটি গণশৌচাগারের দেখা পেলেও এটি ব্যাহারের অনুপযোগী তার মধ্যে দায়িত্বে থাকা ব্যাক্তিকে শৌচাগারে ঢুকলেই ৫ টাকা দিতে হয়। 

তারা আরো বলেন, ভেদভেদী এলাকা থেকে রিজার্ভ বাজার, তবলছড়ি ও চট্টগ্রামে যাওয়ার জন্য যাত্রীদের বাস ও সিএনজির জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়, কিন্তু এখানের বসার মতো কোন যাত্রী ছাউনী নাই। এমনকি গণ-শৌচাগারটির বেহালদশার কারণে যাত্রী সাধারণের কষ্টের সীমা নেই। এক্ষেত্রে মহিলা যাত্রিদের আরো বেশি বিরম্বনায় পরতে হয়। 

গণশৌচাগারের দ্বায়িত্বে থাকা ইজারাদার বলেন, প্রতিদিন অনেক মানুষ গণশৌচাগারটি ব্যাহার করেন আজও অনেক লোক আসছেন, আমি প্রতিদিন পরিস্কার করে রাখি।

স্থানীয় ব্যাবসায়ী ও সিএনজি চালকরা বলেন ভেদভেদীর মতো ব্যস্ততম জায়গার একমাত্র গণশৌচাগারটির এমন অবস্থায় থাকাটা আসলেই অত্যান্ত দুঃখজনক। গণশৌচাগারের ভিতরে আবর্জনা, দুর্গন্ধ, ময়লার স্তুপ। 

এবিষয়ে রাঙামাটি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর রবি মোহন চাকমার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা পৌরসভার পক্ষ থেকে গণশৌচাগার নির্মাণ করে ইজারা দিয়ে দেই। তারপরেও অবকাঠামোগত কোন সংস্কারের প্রয়োজন হলে ইজারাদারের চাহিদার প্রেক্ষিতে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি।

ইজারা প্রদানের সময় গণশৌচাগারটি যাতে সর্বদা পরিস্কার- পরিছন্ন রাখা হয় এবিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া থাকে। তিনি বলেন, ভেদাভেদী গণশৌচাগারে গিয়ে আমিও সমস্যায় পড়েছি এবং তাদের কয়েকবার বলেছি যাতে পরিস্কার রাখে। 

বিষয়টি নিয়ে রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরীর সাথে আলোচনা করে এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।