আমানতবাগ সমাজ উন্নয়ন কমিটির আয়োজনে পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম পালিত


মোঃ আবদুল নাঈম মোহন    |    ০১:৫৭ এএম, ২০২০-১১-২৮

আমানতবাগ সমাজ উন্নয়ন কমিটির আয়োজনে পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম পালিত

সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় শুক্রবার পালিত হয়েছে পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম ১৪৪২ হিজরী। এ উপলক্ষে আমানতবাগ সমাজ উন্নয়ন কমিটির উদ্যোগে, শুক্রবার বাদে মাগরিব হয়তে আমানতবাগ জামে মসজিদে আলোচনা ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আমানতবাগ জামে মসজিদের সম্মানিত খতিব, আলহাজ্ব মওলানা অধ্যক্ষ আখতার হোসেন চৌধুরী। 

আবদুল কাদের জিলানী (রঃ) এর জীবন ও আর্দশের উপর বিশেষ দিক নির্দেশনামুলক আলোচানায় আলহাজ্ব মওলানা অধ্যক্ষ আখতার হোসেন চৌধুরী বলেন, হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রঃ) ৪৭০ হিজরিতে ইরাকের জিলান নগরীতে জম্ম গ্রহণ করেন। তার বাবা সায়্যেদ আবু সালেহ (রঃ) একজন বিখ্যাত বুজুর্গ ছিলেন। মাতা উম্মুল খায়ের ফাতেমা (রঃ) একজন বিদুষী রমণী ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি মায়ের কাছে পবিত্র কোরআনের আঠারো পারা পর্যন্ত মুখস্থ করেন। অল্প বয়সেই সমস্ত কোরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হন। বাবার কাছে সূফীবাদের আদর্শে অনুপ্রাণিত হন। বাবার মৃত্যুর পর ১৮ বছর বয়সে তত্কালীন মুসলিম দর্শনের বিদ্যাপীঠ মাদ্ররাসায়ে নিজামিয়াতে ভর্তি হয়ে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন। ১৪ থেকে ৯১ বছর অর্থাৎ মৃত্যুও আগের দিন পর্যন্ত অবিরাম ইসলাম প্রচার ও প্রসারে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি কাদেরিয়া তরিকার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। ধর্মীয় সভা-সমাবেশে তিনি মানুষের আত্মশুদ্ধি ও আত্মউন্নতির জন্য উপদেশ দান করেছেন। তার রচিত গ্রন্থের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো গুনিয়াতুত ত্বলেবীন, সিররুল আসরার, আল ফাতহুর রব্বানী, ফাতহুল গুয়ুর এবং আল-কাসিদা নামে একটি কাব্যগ্রন্থ। এই সমস্থগ্রস্থ পৃথিবীর ২৩টি ভাষায় অনুদিত হয়েছে।

আলোচনা শেষে মিলাদ-কিয়াম ও দেশ-জাতীর কল্যাণে, বিশেষ করে চলমান মহামারি করোনা প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষার্থে দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে মাহাফিল সমাপ্তি করা হয়।