স্বামীর মিথ্যা মামলায় হয়রানী থেকে বাঁচতে দুই সন্তানের জননীর আঁকুতি!


নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ১১:৪২ পিএম, ২০২১-১১-১১

স্বামীর মিথ্যা মামলায় হয়রানী থেকে বাঁচতে দুই সন্তানের জননীর আঁকুতি!

পরনারীর প্রতি আসক্ত স্বামী কর্তৃক মিথ্যা মামলায় হয়রানী থেকে বাঁচতে মণিকা আক্তার নামের এক নারী প্রশাসনের প্রতি আকুতি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে। বৃহস্পতিবার (১১নভেম্বর) দুপুরে রাঙামাটি প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মণিকা আক্তার বলেন- আমার স্বামী মোস্তাফিজুর রহমান আমাকে হয়রানী করার লক্ষ্যে উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ভাবে চলতি বছরের ২২ সেপ্টেম্বর আমার নামে রাঙামাটি কোতয়ালী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এর আগে সে ডাকযোগে আমাকে ডিভোর্স পত্র পাঠিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমি আমার স্বামীর সাথে ১৬ বছর সংসার করেছি। আমার স্বামী আমার বিরুদ্ধে এবং জনৈক ফারুক আহাম্মেদ সাব্বিরকে জড়িয়ে যে মামলা দায়ের করেছেন তা মিথ্যা এবং বানোয়াট তথ্য উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। মূলত জায়গা সংক্রান্ত স্বার্থ হাসিলের জন্য আমার বিরুদ্ধে তিনি ষড়যন্ত্র করছেন। শুধু তা নয়; বিভিন্ন এ্যাপস এর অপব্যবহার করে আমার গতিবিধি নজরধারী এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আমার মানসম্মান ক্ষুন্ন করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে মনিকা দাবি করেন, রাতের অন্ধকারে দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার পর আমি নিজেই আমার স্বামীকে প্রথমে রাঙামাটি মেডিকেলে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল ও বেসরকারি হসপিটালে চিকিৎসা করাই। কাগজপত্র থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট্য একাধিক ব্যক্তিবর্গ বিষয়টি অবগত আছেন। কিন্তু তারপরও আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে এবং পরনারীকে বিয়ে করার লক্ষ্যে বিভিন্ন এ্যাপস ব্যবহার করে এডিটিং করা ভিডিও দিয়ে আমার স্বামী আমাকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে।

এতোকিছুপরও ক্ষান্ত না হয়ে আমার বিরুদ্ধে কাল্পনিক অভিযোগ দিয়ে মিথ্যা তথ্যদিয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মনিকা বলেন, তিনি একাধিক বিয়ে করেছেন সেই তথ্য গোপন করে আমাকে বিয়ে করেছিলো। আমি বিয়ের পর সবকিছু জেনেও আত্মসন্মানের চিন্তা করে দীর্ঘ ১৬টি বছর সংসার করে আসছি। বর্তমানে আমার দু’টি সন্তান রয়েছে। আমি তাদের নিয়ে সুষ্ঠু ভাবে বাঁচতে চাই। এইজন্য তিনি সুষ্ঠু ভাবে বাঁচতে প্রশাসনের কাছে ব্যাকুল আকুতি জানান। এসময় মণিকার মামা মাজেদুল ইসলাম, তার স্বজন নূর মোহাম্মদ, মেয়ে মিতিলা রহমানসহ তার অন্যান্য স্বজনগণ।