আ'লীগের ৭২তম প্রতিবার্ষিকী উপলক্ষে মোঃ শাহীন আলমের শুভেচ্ছা বার্তা


এম এইচ ইকবাল    |    ০১:২০ পিএম, ২০২১-০৬-২৩

আ'লীগের ৭২তম প্রতিবার্ষিকী উপলক্ষে মোঃ শাহীন আলমের শুভেচ্ছা বার্তা

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাঙামাটিসহ সারাদেশ বাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান কাউখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহীন আলম। 

এক শুভেচ্ছা বাণীতে কাউখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহীন আলম বলেন,  গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি। 

হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার পরিবারবর্গ ও জাতীয় চার নেতাসহ সকল শ্রদ্ধেয় নেতৃবৃন্দদের। যাদের  দীর্ঘদিনের সংগ্রাম আর ত্যাগের মাধ্যমে আজকের এই আওয়ামীলীগ। 

১৯৪৯ সালে ২৩ জুন ঢাকা টিকাটুলি বতর্মান রোজগার্ডেনে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলার মানুষের মুক্তির আন্দোলন ও সংগ্রামের দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৬ ছয় দফা, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ও  ১৯৭০ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সংখ্যাগরিষ্ঠা নিয়ে নির্বাচনে জয় লাভ করে। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তান সেই জয় মেনে নিতে পারেনি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দীর্ঘ ২৪ বছরের সংগ্রাম করেন, সেই সংগ্রাম করার জন্য তাকে দীর্ঘ   ৪৫৬১ দিন কারাগারে দিন কাটাতে হয়। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মহান স্বাধীনতার ভিত্তিস্থাপন করে ৯ মাস সংগ্রামের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় লাল সবুজের বাংলাদেশ। 

১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক ৭ মে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন রেসকোর্স ময়দানে। অত্যান্ত দুঃখের বিষয় ১৯৭৫ সালে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারকে নির্মমভাবে হত্যা করে পাকিস্তান দোসর ঘাতকরা । 

মহান আল্লাহ তায়ালার রহমতে সেই দিন ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহনা। কি দূবিষ্য কষ্ট নিয়ে বিদেশের মাটিতে থাকতে হয়েছে তাদের। তৎকালীন জার্মান, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতে থাকতে হয় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার। 

১৯৮১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভানেত্রী আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলার মাটিতে আসেন। কিন্তু সেই দিন প্রর্বল বৃষ্টির মাঝে হাজার হাজার নেতাকর্মী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানায়। সেই দিন ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মাটিতে এসে মানুষের ভোটের অধিকার ভাতের অধিকার নিয়ে সংগ্রাম করেন। দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ একটি গণমানুষের দল হিসাবে ভিত্তি স্হাপন করেন। ১৯৯৬ সালে জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। ২০০১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সংগ্রাম করতে হয় অসংখ্য নেতাকর্মীর। ১/১১ নেত্রীর মুক্তির দাবিতে বাংলার মানুষ আন্দোলন করেন। ২০০৮ সালে জনগণের ভোটের মাধ্যমে আবারো আওয়ামীলীগ জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করেন তা বর্তমান পর্যন্ত ধারাবাহিক। আওয়ামীলীগ সরকার আসার পর থেকে শুরু করে দেশের জিডিপির, মাথাপিছু আয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ অবকাঠামো,  

সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, ১০ টাকার ন্যায্য মূল্যর চাউল বিতরন, বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক উন্নয়ন, নিজ অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ, রেল সংযোগ, উপজেলা পর্যায়ে হসপিটাল নির্মাণ, মডেল মসজিদ, উপজেলা পর্যায়ে ফায়ার সার্ভিস নির্মাণ ,টেকনিক্যাল স্কুল নির্মাণ,  মাধ্যমিক ও  উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলো সরকারি করণ, মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা প্রদান, পার্বত্য চট্টগ্রামে অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক উন্নয়ন, গৃহহীন মানুষদের ঘর নির্মাণ 

মেট্রোরেল প্রকল্প নির্মাণ, কর্নফুলি ট্যানেল নির্মাণ, বঙ্গবন্ধু সেটেলাইট আকাশে উৎক্ষেপনসহ দেশের ভৌত উন্নয়ন অগ্রগতি ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণসহ আজকে বিশ্বের দরবারে আমাদের এই বাংলাদেশ। 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ্ব সম্প্রদায় আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেন। অর্থনীতি মুক্তি আর সংগ্রামে মানুষের মৌলিক অধিকার গুলোকে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। পাশাপাশি অসাম্প্রদায়িক চেতনা মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বর্তমান সরকার।বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানাই । পাশাপাশি উত্তরায়ন কামনা করি গণমানুষের দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ জনগণের আস্থা বিশ্বাস প্রতীক হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।