রাঙামাটিতে বিদ্যুতের ভেলকিবাজি!


নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ০৪:৩২ পিএম, ২০২১-০৪-১১

রাঙামাটিতে বিদ্যুতের ভেলকিবাজি!

রাঙামাটি শহরের মধ্যে বিদ্যুতের বেলকিবাজি!এই আসে এই যায় এটার নামই বিদ্যুতের বেলকিবাজি। পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড চম্পক নগর ভিআইপি এলাকায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে বেশীর ভাগ সময়ে বিদ্যুৎ থাকেনা। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিদ্যুতের বেলকিবাজি বেড়ে যায়।

যেমন, শিক্ষার্থীদের পড়া লেখার সময় সন্ধ্যায়,দুপুরে ও শেষ রাতে যখন লোকজন ঘুমাবে ঠিক সে সময়ে বিদ্যুৎ চলে যায়। সে বিদ্যুৎ আসে সকাল ৬টা থেকে ৭ বা ৮টার সময়। এভাবে প্রতিনিয়তই চম্পক নগর ফিটারে বিদ্যুতের বেলকিবাজি দীর্ঘ দিন যাবৎ।

চম্পক নগর নিবাসী মোঃ মনির হোসেন,মোঃ নাছির উদ্দিন ও মোঃ হানিফ ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলেন,বছরের পর বছর এই ফিটারে বিদ্যুৎ সমস্যা লেগেই আছে। তাই বিদ্যুতের বেলকিবাজির কথা বলে শেষ করা যাবেনা। মানুষ যখন ঘুম যাবে শেষ রাতে বিদ্যুৎ থাকে না।

আবার দেখা গেছে, ছেলে মেয়েদের পড়া লেখার সময়েও বিদ্যুৎ থাকেনা। প্রতি বছর গরম আসার সাথে সাথে বিদ্যুৎ সমস্যা বেশী বেশী দেখা দেয়। আমাদের দাবি চম্পক নগর বিদ্যুৎ লাইনটি বনরুপার সাথে সংযোগ করা দেওয়া হউক। তাহলে এই সমস্যা থেকে চম্পক নগরবাসী পরিত্রাণ পাবে। অচিরেই যদি এই সমস্যার সমাধান করা না হয় তাহলে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পেতে আমরা সব ধরনের কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ ক্রয় করে ব্যবহান করি তাহলে সমস্যা হবে কেন। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা পাবোনা কেন।

এদিকে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিদ্যুৎ সেবা পেতে ও ঘনঘন বিদ্যুৎ লোডশেডিং সংক্রান্ত ব্যাপারে ভেদভেদি বিদ্যুৎ বিতরণ কার্যালয়ে এই ০৩৫১৬৫৫৩  নাম্বারে বার বার ফোন করা হলে  কেউ রিসিভ করেনা। আবার ফোন রিসিভ করলেও সঠিক উত্তর দিতে গরিমসি করে গ্রাহকের সাথে। এধরনের অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে অহরহ।

এব্যাপারে ভেদভেদি বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের সুপারেন্টের ইঞ্জিনিয়ার মোঃ কামাল উদ্দিন মুঠো ফোনে জানান,বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ কান্তি মজুমদারের সাথে কথা বলে এই সমস্যার সমাধান করা হবে। বিষয়টি আরো একটু গভীর ভাবে পর্যাবেক্ষণ করে মূল সমস্যা কোথায় তা বের করতে হবে। প্রয়োজনে যদি বিদ্যুৎ না থাকে তাহলেতো অবশ্যই সমস্যার কারন।