নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪:১৫ পিএম, ২০২১-০৩-১২
রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে অজল চুগ বনবিহারে ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ মার্চ) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সম্যক দৃষ্টি ফাউন্ডেশন স্বধর্ম ফান্ডের উদ্যোগে অজল চুগ বনবিহারে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণ্যাঢ্য ধর্মসভা। এছাড়াও প্যাগোডা ও দেশনালয়ের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধনসহ অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। ধর্মসভায় সাধু সাধু সাধু ধ্বনিতে বিশ্বের সকল প্রাণীর হিতসুখ ও মঙ্গল প্রার্থনা করেন পুণ্যার্থীরা।
হাজারো পুণ্যার্থীদের ভক্তি ও শ্রদ্ধা নিবেদনে বুদ্ধপুজা, বুদ্ধমূর্তিদান, মহাসংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, ৮৪ হাজার মঙ্গল প্রদীপ উৎসর্গ, পঞ্চশীল প্রার্থনা, সুত্রপাঠ, ধর্মীয় দেশনা,পিন্ডদানসহ অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী ধর্মীয় নানা কর্মসূচি। দূর-দূরান্ত থেকে সমবেত হয় হাজারো পুণ্যার্থী। পুণ্যার্থীদের পদচারণায় মূখর হয়ে উঠে বিহার প্রাঙ্গণ।
বিশ্বের সকল প্রাণীর হিতসুখ ও মঙ্গল প্রার্থনায় অনুষ্ঠানে প্রথমে বৌদ্ধরতœ উপাধি প্রাপ্ত ও বনভান্তের প্রধাণশিষ্য ভদন্ত শ্রীমৎ নন্দপাল মহাস্থবিরকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন পুণ্যার্থীরা। পরে উদ্বোধনী ধর্মীয় সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে পঞ্চশীল পাঠ করেন অনিল বিহারী চাকমা। অনুষ্ঠান পরিচালনা কৃতি চাকমা। পুণ্যার্থীদের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য পিয়নন্দ চাকমা,সদস্য ঝর্ণা খীসা ও উদযাপন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক জ্ঞান জ্যোতি চাকমা। অন্যান্য অতিথির মধ্যে ইলিপন চাকমাসহ বিহার পরিচালনা কমিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বনভান্তের অমৃতময় বাণীর উদ্ধৃতি দিয়ে পুণ্যার্থীদের মাঝে ধর্মদেশনা দেন অনুষ্ঠানের প্রধান ধর্মালোচক, বোধিরতœ উপাধিপ্রাপ্ত, সাধনানন্দ মহাস্থবির বনভান্তে’র প্রধান শিষ্য ভদন্ত শ্রীমৎ নন্দপাল মহাস্থবির। এসময় অন্যান্য ভিক্ষুদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দিঘীনালা বনবিহারের উপাধ্যক্ষ ভদন্ত শ্রীমৎ শুভ বর্ধন মহাস্থবির, সিনিয়র ভিক্ষু প্রিয়ানন্দ মহাস্থবির, ধুতাঙ্গটিলা বনবিহারের বিহার অধ্যক্ষ ভদন্ত শ্রীমৎ দেবধাম্মা মহাস্থবির,সাধনাটিলা বনবিহারের বিহার অধ্যক্ষ বুদ্ধ বংশ মহাস্থবির, অজল চুগ বন বিহারের বিহার অধ্যক্ষ ভদন্ত শ্রীমৎ সত্যমতি ভিক্ষু,সারোয়াতলী রতœ উদয় বৌদ্ধ বিহারের বিহার অধ্যক্ষ ভদন্ত শীলা জ্যোতি ভিক্ষুসহ অন্যান্য প্রমূখ ভিক্ষু উপস্থিত ছিলেন।
ধর্মসভায় সভায় উপস্থিত পুণ্যার্থীদের উদ্দেশে ভদন্ত শ্রীমৎ নন্দপাল মহাস্থবির বলেন, বিহার কিংবা মন্দির উন্নয়ন শুধু পুণ্যার্থীদের মাধ্যেমে সম্ভব নয়। বিহারের উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রথমে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা তাকলে তবে বিহারে উন্নয়ন সম্ভব। তিনি আরো বলেছেন, মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পঞ্চশীলের গুরুত্ব অপরিসীম। পঞ্চশীল পালনের মাধ্যেমে গৃহী জীবনে উন্নতি সম্ভব। পাশাপাশি পারিবারিক জীবনে পঞ্চশীলের গুরুত্ব অপরিসীম। শীলের পাশা-পাশি দান,শীল-ভাবনা(ধ্যান) করতে হবে। ভাবনার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করতে হবে।
মেহেদী হাসান : পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং পাহাড়ের সব সমà...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে একদিনে সফলভাবে সাতটি ছানি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দৃষ্à¦...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটিতে দুর্যোগে উপড়ে পড়া জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনের ছাতিম গাছটির স্থানে বাদাম গাছেà...বিস্তারিত
ওমর ফারুক সুমন : রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্à...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টনে আওয়ামী লীগের লাঠি-বৈঠার হামলা ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রাঙ...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটি শহরের ডিসি অফিস এলাকার বাসা থেকে আশিকুল ইসলাম (১৭) নামে এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে। গত ২৬ à...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited