পানির তীব্র সংকট থেকে পরিত্রাণ পেতে চায় গৃহিনীরা


স্মৃতিবিন্দু চাকমা    |    ০৩:১৫ পিএম, ২০২১-০১-১০

পানির তীব্র সংকট থেকে পরিত্রাণ পেতে চায় গৃহিনীরা

জুরাছড়ি উপজেলাধীন ১নং ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে কুকিছড়া গ্রাম,ত্রিপুরা পাড়া গ্রামে প্রায় ৭০ পরিবারের অধিক লোকজন পাহাড়ের  উপড় বসবাস করেন। প্রতি বছর চৈত্র মাস আসলে দেখা দেয় পানির তীব্র সংকট। যে স্থান থেকে গ্রামের লোকজন খাবার পানি ব্যবহার করেন তা স্বাস্থ্য সম্মত নয়,কথাটি অপ্রিয় সত্য যে একই স্থান থেকে গৃহপালিত প্রাণীরা পানির তৃষ্ণা নিবারণ করে থাকে।

এর ফলে দেখা দেয় গ্রামের ছেলেমেয়েদের  বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি। বিষয়টি সরেজমিনে গিয়ে দেখা মিলে উক্ত গ্রামে রয়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। জীবনধারণের লক্ষ্যে বাধ্যহয়ে গ্রামের লোকজন নোংরা পানি ব্যবহার করে যাচ্ছেন। তাই দ্রæত পানির সংকটের সমাধান করার লক্ষ্যে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ,উন্নয়ন বোর্ড,উপজেলা পরিষদ,জনস্বাস্থ্য প্রকেীশল কর্তৃপক্ষের কাছে সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিপন চাকমা জানান, চৈত্র মাস আসলে পানির তীব্র সংকটে ভুগতে হয়। গ্রামবাসীরা সারাদিন জুমে কাজ করে প্রায়রই সময় পানির অভাবে ¯œান না করে থাকতে হয়। গ্রামবাসীরা যেখান থেকে পানি ব্যবহার করেন তাও স্বাস্থ্য সম্মত নয় বলে উল্লেখ করেন।

গ্রামের কার্বারী কিরণজয় চাকমা বলেন, পানির  সংকট উত্তরণের লক্ষ্যে বহুবার জনপ্রতিনিধিদের কাছে আবেদন করা হয়েছিল এখনো পর্যন্ত কোন সুরহা মেলেনি,তাই জনপ্রতিনিধিদের সু দৃষ্টি সারা আমাদের কখনো মুক্তি মিলবেনা। জীবন ধারণের লক্ষ্যে নোংরা পানি জেনেও আমাদের খেতে হচ্ছে। এর ফলে অনেক সময় দেখা দিচ্ছে আমাদের বিভিন্ন রোগ। যে কুয়া থেকে আমরা পানি ব্যবহার করি নোংরা হলেও পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি থাকেনা। অচিরেই সংকট সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আকুল আবেদন করেন।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলাপরিষদ সদস্য প্রবর্তক চাকমা জানান, কুকিছড়া গ্রামে পানির সংকটের বিষয়টি অবগত রয়েছি। তাদের গ্রামের  পানিয় জলের সুব্যবস্থা গ্রহণের   লক্ষ্যে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ জনপ্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করে কাজ যাবে এমনটাই জানান প্রবর্তক চাকমা।

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যানন চাকমা থেকে জানতে চাইলে তিনি জানান, কুকিছড়া গ্রামে পানির সংকট সমাধানের লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। জি এফএস পাইপ লাইনের মাধ্যেমে করতে হলে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। উন্নয়ন বোর্ড, জেলা পরিষদ যদি এগিয়ে আসে তাহলে পানির সংকট দূর করা সম্ভব।