নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৩:০৪ এএম, ২০২১-০৩-২৬
২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবসের স্মরণে রাঙামাটিতে আলোচনা সভা ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) সন্ধা ৬টায় রাঙামাটি জেলা উদ্যোগে পুরাতন বাস স্টেশন সংলগ্ন দোয়েল চত্ত্বরে এ সভা ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচির শুরুতেই শহীদদের স্মরনে ১মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রাঙামাটি জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ছাওয়াল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাজাহানের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ মুছা মাতবর ও বিশেষ অতিথি হিসেবে রাঙামাটি পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনসুর আলী বক্তব্য রাখেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাজী মুছা মাতবর বলেন, ২৫ মার্চ গণহত্যা ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে জগন্যতম গণহত্যা। জগন্যতম হত্যাকাণ্ড হিসেবে এটা ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে আছে। কিন্তু ইতিহাসের এ বর্বরোচিত গণহত্যা এখনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হয়নি। এর জন্য পাকিস্তান ক্ষমাও চায়নি ৷ স্বাধীনতার এত বছর পার হলেও পাকিস্তান একাত্তরের নৃশংস, বর্বরোচিত গণহত্যার জন্য আজও দুঃখ প্রকাশ করেনি। মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন দেশ হিসেবে পাকিস্তানের কাছে যা পাওনা ছিল সেই পাওনা তারা বুঝিয়ে দেয়নি। স্বাধীনতার এত বছর পরও তারা তাদের নাগরিকদের আমাদের ওপর বোঝা করে রেখেছে, এদের এদেশ থেকে ফিরিয়ে নেয়নি। তিনি এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে ২৫ মার্চ গণহত্যার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি আদায়ে সরকারকে যথাযথভাবে প্রদক্ষেপ গ্রহন করার দাবি জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মনসুর আলী বলেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূতি অনুষ্ঠানে আসার সম্মতি দিয়েছেন। শুক্রবার তার আসার কথা রয়েছে। তার মধ্যে বিএনপিসহ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীরা মোদির সফরের বিরোধিতা করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু করেছেন। মন্দিরে হামলা করা হচ্ছে। তাদের শক্ত হাতে প্রতিহত করা হবে বলে জানান তিনি।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে অস্থিরতা তৈরিতে কাউকে উসকানি না দেয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে সভায় সভাপতির বক্তব্যে ছাওয়াল উদ্দিন বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে প্রধান মিত্র দেশ ছিল ভারত। তাই বাংলাদেশ ভারতের সরকার প্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে, কোনো ব্যক্তি বিশেষকে নয়। আন্দোলনের পরিবর্তে অস্থিরতা তৈরি করতে যদি সহিংসতা উপাদান যুক্ত করা হয়, তাহলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলা করবে। বর্তমানে আওয়ামী লীগ অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ, শক্তিশালী ও সুসংগঠিত।
এছাড়াও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি তোষণ চাকমা, রাঙামাটি জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামছুল আলম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি মোখলেছুর রহমান মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুর করিম, শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব বড়ুয়া টিপু, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইচ চেয়ারম্যান নাসরিন ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ চাকমা, প্রমুখসহ সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মেহেদী হাসান : পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং পাহাড়ের সব সমà...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে একদিনে সফলভাবে সাতটি ছানি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দৃষ্à¦...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটিতে দুর্যোগে উপড়ে পড়া জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনের ছাতিম গাছটির স্থানে বাদাম গাছেà...বিস্তারিত
ওমর ফারুক সুমন : রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্à...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টনে আওয়ামী লীগের লাঠি-বৈঠার হামলা ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রাঙ...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটি শহরের ডিসি অফিস এলাকার বাসা থেকে আশিকুল ইসলাম (১৭) নামে এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে। গত ২৬ à...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited