মাহাদি বিন সুলতান | ০১:১৩ এএম, ২০২০-০৯-০৭
নানিয়ারচর উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভাগের অবহেলার অভিযোগ এসেছে। উন্নতমানের বৈদ্যুতিক খুঁটি নয় বরং দূর্বল খুঁটি এবং গাছে গাছে ক্লিপ বসিয়ে খোলা তার দিয়েই বিদ্যুত সরবরাহ করে যাচ্ছে মহালছড়ি বিদ্যুত বিভাগ এমনটাই অভিযোগ এনেছে ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বুড়িঘাট ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বগাছড়ির উপর বাজার থেকে ৩নং পোস্ট এলাকা হয়ে ৪নং পোস্ট এলাকায় দূর্বল খুঁটি ও গাছের সাথে ক্লিপ লাগিয়ে মারাত্বক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় খোলা তারের মাধ্যমে বিদ্যুত সরবরাহ করে যাচ্ছে বিদ্যুত বিভাগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বছর দুয়েক আগেও ঝড়ের কবলে পড়ে মহালছড়ি ও নানিয়ারচর সড়কে ১১ হাজার ভোল্টের সংযোগ তার ছিঁড়ে ঘরের চালের উপর পড়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মো. ইসহাক (৭৫) ও তার স্ত্রী মৃত্যুবরণ করেন। এত বড় মারাত্মক দূর্ঘটনার পরেও নিকটস্থ ট্রান্সফরমার থেকে খোলা তার ও গাছ দিয়ে সরবরাহকৃত সংযোগটি মেরামত না করে ঝুঁকিপূর্ণ এই সংযোগ দিয়েই বিদ্যুৎ সরবরাহ করে যাচ্ছে আবাসিক প্রকৌশলী।
এলাকাবাসীর পক্ষে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি প্রতিবেদককে জানান, আমারদের এলাকায় এই সংযোগটি প্রদানকালে উন্নতমানের খুঁটি ও কাভারিং তার দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহের কথা থাকলেও বিদ্যুৎ বিভাগ দূর্বল খুঁটি ও গাছের মাধ্যমে খোলা তার দিয়েই দীর্ঘদিন যাবত বিদ্যুৎ সরবরাহ করে যাচ্ছে। যার ফলে বছর দুয়েক আগেও এক দম্পতি বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। এরপরও টনক নড়েনি মহালছড়ি বিদ্যুৎ বিভাগের। ঝড়-বৃষ্টি হলেই কিছুদিন পরপর বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে গেলে আমরা তাদেরকে জানালে বিদ্যুৎ বিভাগের লোক এসে একই ভাবে সংযোগটি মেরামত করে যায়। কিন্তু এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে খুঁটি পরিবর্তন করতে বেশ কয়েকবার বলা হলেও তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরো বলেন, আমাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলে আরই (রেসিডেন্সিয়াল ইঞ্জিনিয়ার) অর্থের বিনিময়ে এই কাজটি কেন করেছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। তাই তিনি গণমাধ্যমের মাধ্যমে নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তার সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
এবিষয়ে মহালছড়ি বিদ্যুৎ বিভাগের আবাসিক প্রকৌশলী ইরাতোষ চাকমা'র সাথে যোগাযোগ করলে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের সচেতনতার অভাব রয়েছে বলে তিনি অভিযোগের বিষয়টি এড়িয়ে যান।
তিনি বলেন, "আমি অল্প কিছুদিন হলো দায়িত্ব গ্রহণ করেছি দূর্বল খুঁটি বা গাছে ক্লিপ লাগিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহের মতো কাজটি পূর্ববর্তী দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে ঘটে থাকতে পারে। তারপরও দায়িত্ব নেওয়ার পর বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হলে আমি সাময়িক সমাধানের চেষ্টা করেছি।"
দু'বছর আগে খোলা তার ছিঁড়ে ইসহাক দম্পতির মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১১ কেভি তার কিভাবে ছিঁড়ে পড়বে এটা তো অবিশ্বাস্য। হয়ত প্রচন্ড ঝড়ে তার ছিঁড়ে পরেছে। আর অভিযুক্ত খোলা তারের সংযোগটি ১১ হাজার ভোল্টের নয়। তাছাড়া ১১হাজার ভোল্টের তারের নিচে তো আবাসিক বাড়ি করার নিয়ম নেই। জনসাধারণকে আরও সচেতন হওয়ারও পরামর্শ দেন এই প্রকৌশলী।
অহিদুল ইসলাম অভি : সিসাদূষণের উৎস, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে চট্টগ্রামে মানববন্ধ...বিস্তারিত
ওমর ফারুক সুমন : রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় সীমান্ত সুরক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠী...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং পাহাড়ের সব সমà...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে একদিনে সফলভাবে সাতটি ছানি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দৃষ্à¦...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটিতে দুর্যোগে উপড়ে পড়া জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনের ছাতিম গাছটির স্থানে বাদাম গাছেà...বিস্তারিত
ওমর ফারুক সুমন : রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্à...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited