পাহাড়ে শান্তি বিনষ্টকারী যেই হোক কাউকে ছাড় দেয়া হবে না; দীপংকর তালুকদার


নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ০৭:৫৯ পিএম, ২০২২-১১-১২

পাহাড়ে শান্তি বিনষ্টকারী যেই হোক কাউকে ছাড় দেয়া হবে না; দীপংকর তালুকদার

পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি বিনষ্টকারী যেই হোক কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।   পার্বত্য অঞ্চলের কুকি চিন নামে সংঘঠন পাহাড়ের শান্তি বিনষ্ট করতে মাঠে নেমেছিল। তাদের সাথে যোগ দিয়েছে দেশের একটি জঙ্গী সংগঠন। তাদের দমনে  বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে পরিচালনা করছে। এরইমধ্যে  কয়েকজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে তারা। দেশেও পার্বত্য অঞ্চলে যেখানেই যারা অশান্তি সৃষ্টি করবে তাদেরকে দমনে সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার এমপি।

শনিবার (১২ নভেম্বর) বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রাঙামাটি জেলা সমন্বয় কমিটির উদ্যোগে বিজয়া পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি চুক্তি হয়েছে। শান্তি চুক্তির আলোকেই পার্বত্য অঞ্চলের সকল সম্প্রদায়ের মানুষের কল্যাণে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে আওয়ামী লীগ। কিন্তু একটি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী পাহাড়ের শান্তি বিনষ্ট করতে প্রতিনিয়ত উঠে পড়ে লেগেছে।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রাঙামাটি জেলা সমন্বয় কমিটির প্রধান সমন্বয়ক অমলেন্দু হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিজয়া পুনর্মিলনী সভায় বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মোঃ মুছা মাতব্বর, রাঙামাটি পৌর সভার মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী প্রমূখ।
এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের সকল সম্প্রদায়ের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কাজ করছে। প্রতিটি সম্প্রদায় যাতে এই অঞ্চলে নিজ নিজ ধর্ম চর্চা করতে পারে তার জন্য বোর্ড পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশেনা মোতাবেক উন্নয়ন প্রকল্প করে যাচ্ছে। আগামীতেও সনাতন সম্প্রদায়ের উন্নয়নে কাজ করা হবে।
এতে রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী বলেন, পার্বত্য রাঙামাটির সনাতন সম্প্রদায়ের উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতীতের সকল দ্বন্দ ভুলে গিয়ে এই সমন্বয় কমিটির মাধ্যমেই সুন্দর একটি শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামীতে এই কমিটি একটি শাক্তিশালী বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জেলা কমিটি গঠন করে পার্বত্য রাঙামাটি সনাতন সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ করে রাখবে।

সভায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রাঙামাটি জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ, রাঙামাটি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ কমিটি, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ রাঙামাটি, সনাতন যুব পরিষদের নেতৃবৃন্দ রাঙামাটি ১০ উপজেলার ৪২টি শারদীয় দুর্গোৎসব কমিটির নেতৃবৃন্দ ও রাঙামাটি জেলার সকল মঠ মন্দিরের প্রতিনিধিরা এই সভায় অংশগ্রহণ করেন।