রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসানোর মধ্যে দিয়ে তিন দিনব্যাপি বিজু উৎসব শুরু


নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ১০:৩৪ এএম, ২০২৩-০৪-১২

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসানোর মধ্যে দিয়ে তিন দিনব্যাপি বিজু উৎসব শুরু

পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩ জেলায় নদী-হ্রদের পানিতে ফুল ভাসিয়ে আজ বুধবার  শুরু হয়েছে  ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ৩ দিনব্যাপি বিজু উৎসব।

কাপ্তাই হ্রদে  ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর  অন্যতম প্রধান উৎসব বিজু। 

আজ বুধবার  সকালে খাদ্য মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার প্রধান অতিথি থেকে  রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসিয়ে বিজুর আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন।

রীতি অনুযায়ী পুরোনো বছরের দুঃখ ভুলে নতুন বছরের মঙ্গল কামনায় নদীর জলে দেবী গঙ্গার উদ্দেশে এই ফুল ভাসানো হয়। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর তরুণ-তরুণীরা নিজেদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে বন থেকে সংগ্রহ করা নানা রকমের ফুল নদীর জলে ভাসায়। পরে নদীর পাড়ে গঙ্গা দেবীর উদ্দেশে করজোড়ে প্রার্থনা করা হয়।

এসময় প্রধান অতিথি দীপংকর তালুকদার বলেন, সারাবাংলাদেশ ন্যায় অসম্প্রদায়িক চিন্তা চেতনায় চিটাগং হিলটেক্সেকে বিকশিত করার লক্ষ্যে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষুদ্র জাতিস্বত্বা সমূহ বৈশাবি ঠিকমতো পালন করতে পারে সেই লক্ষ্যে তিনি অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন যাতে করে এই ক্ষুদ্র জাতিস্বত্বা সমূহ নিজস্ব ভাষায় শিক্ষা ও তাদের বিভিন্ন স্থানীয় সংস্কৃতি ঐতিহ্য সংস্কৃতি ও  নিজেদের ভাষা বিকশিত করা লক্ষ্যে  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন  এবং অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন।

বন থেকে সংগ্রহ করা বিজু ফুল ছাড়াও মাধবীলতা, অলকানন্দা, রঙ্গন, জবা ফুলসহ বাহারি ফুল কলাপাতায় করে নদীর জলে ভাসানো হয়। ঐতিহ্যবাহী সাজ-পোশাকে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর তরুণ-তরুণীরা ফুল বিজুতে অংশ নেয়। বিজুতে সমগ্র দেশবাসীর মঙ্গল কামনা করছেন তারা।