রাঙামাটি সদরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত


নাজিম আল হাসান    |    ১২:৪৮ এএম, ২০২৬-০৮-১৪

রাঙামাটি সদরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি, নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে তাদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে রাঙামাটি সদরে উপজেলা পর্যায়ে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজার এলাকার আব্দুল আলী একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

প্রতিযোগিতায় রাঙামাটি সদর উপজেলার ১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ১১৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

এতে বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আলমগীর হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন ও সহকারী পরিদর্শক মোহাম্মদ আবু সাদেক।

এছাড়া উপজেলা শিক্ষা একাডেমিক সুপারভাইজার রতন চাকমা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আব্দুল আলী একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ওমর ফারুক, সহ-সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম মুন্না ও মো. এনামুল হক হারুন, সদস্য মো. মনির হোসেন, মো. আবু জাফর, মুকুলকান্তি ত্রিপুরা ও ফারিকা চাকমাসহ সংশ্লিষ্টরা।

বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে আলা আমিন ইসলামিয়া ফাজিল মডেল ডিগ্রি মাদ্রাসা।

রানার্সআপ হয়েছে লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে শাহ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়।

এ প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয়েছে আলা আমিন ইসলামিয়া ফাজিল মডেল ডিগ্রি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মেহেরিন তাবাসসুম রাইসা।

আয়োজকরা জানান, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দুর্নীতির নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি, সততা ও নৈতিকতার চর্চা বাড়ানো এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক ভূমিকা পালনে উৎসাহিত করতেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়েছে।

শিক্ষাজীবন থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে ন্যায়, সততা ও জবাবদিহির মূল্যবোধ গড়ে উঠলে ভবিষ্যতে একটি স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল সমাজ প্রতিষ্ঠায় তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করেন আয়োজকরা।