বাঘাইছড়িতে ২৭ বিজিবির মানবিক উদ্যোগ, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ


বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি    |    ১২:২৮ এএম, ২০২৬-০৮-১৪

বাঘাইছড়িতে ২৭ বিজিবির মানবিক উদ্যোগ, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও মাদক চোরাচালান প্রতিরোধের পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে তিন শতাধিক অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেছে ২৭ বিজিবি মারিশ্যা জোন।

‘শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন’ এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাঘাইছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ মানবিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

দিনব্যাপী আয়োজিত মেডিকেল ক্যাম্পে বাঘাইছড়ির বিভিন্ন এলাকার পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর তিন শতাধিক অসহায় ও দরিদ্র মানুষকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীদের মধ্যে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধও বিতরণ করা হয়।

এ সময় গুরুতর অসুস্থ রোগী বিনয় লাল চাকমার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে তার বাড়িতে যান মারিশ্যা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, পিএসসি ও জোনের মেডিকেল অফিসার মেজর অমিত কুমার শাহা। তারা রোগীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজ নেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন।

চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন মারিশ্যা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, পিএসসি, জোনের মেডিকেল অফিসার মেজর অমিত কুমার শাহা, বাঘাইছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শান্তি বিকাশ চাকমাসহ স্থানীয় সংবাদকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিহত ও মাদক চোরাচালান বন্ধের পাশাপাশি শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও ২৭ বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে।

সাধারণ মানুষের পাশে থেকে শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

পরে স্থানীয় পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে উৎসাহিত করতে তাদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

২৭ বিজিবি মারিশ্যা জোনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

তাদের মতে, সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার এ ধরনের উদ্যোগ জনসাধারণের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতি আরও দৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।