নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১:৪৭ পিএম, ২০২৪-০৯-০৮
বান্দরবানে ৪টি ইউনিয়ন পরিষদ ভবন সংস্কারের নামে বরাদ্দকৃত টাকার অতিরিক্ত ভ্যাট দেখিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সদর উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয় মনগড়া ঠিকাদার দিয়ে ভবন সংস্কারের জন্য কোন টেন্ডার ছাড়াই মৌখিক ভাবে ঠিকাদারকে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সুত্রে জানা যায়- ২০২২-২৩ অর্থ বছরে আর এফ কিউর মাধ্যমে সংস্কারের জন্য বরাদ্ধ পায় চারটি ইউনিয়ন পরিষদ। সেগুলো হল- রাজবিলা, কুহালং, সদর ও টংকাবতী ইউনিয়ন পরিষদ। এই চারটি ইউনিয়নের ভবন সংস্কারের এডিবি প্রকল্পের মাধ্যমে বরাদ্ধ দেয়া হয় ৪০ লক্ষ টাকা। ৩টি ইউনিয়নের ভবন সংস্কারের কাজ প্রায় ৭৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। তবে এখনো সদর ইউনিয়নের ভবন সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়নি।
খোজ নিয়ে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন সংস্কারের জন্য কোন টেন্ডার ছাড়াই মৌখিক ভাবে ঠিকাদারকে নিয়োগ দেন এলজিইডি সদর উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান। বেশী কমিশন পাওয়ার আশায় মনের মত এক ঠিকাদারকে প্রকল্প বুঝিয়ে দেয়া হয়। তবে ভবন সংস্কারের কাজ করতে গেলে ঠিকাদারকে বাধা দেন ইউপি চেয়ারম্যানেরা।
এসব বিষয়ে সদর উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল কুদ্দুছকে অবগত করা হলে বৈঠকে বসেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ উপজেলার প্রকৌশলী। বৈঠক শেষে উপজেলা প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেন ইউপি ভবন সংস্কার করার জন্য সেসব ইউপি চেয়ারম্যানদের অর্থ ও কাজ বুঝিয়ে দিতে। কিন্তু উপজেলা চেয়ারম্যানের নির্দেশ উপেক্ষা করে নিজের পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দেন উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান।
তড়িঘড়ি করে দ্রুত কাজ করাতে ঠিকাদারকে নির্দেশ দেন তিনি। শুধু তাই নয় প্রতি ইউনিয়ন পরিষদের ১০ লাখ বরাদ্ধের ভ্যাট সাড়ে ৩ লক্ষ টাকাসহ অফিসের নানা অনুষাঙ্গিক টাকা কেটে রেখে দেন তিনি। সেসব ভ্যাট ও অনন্যা খরচ দেখিয়ে টাকা নিজে একাই আত্মসাৎ করে ফেলেন।
ইউপি চেয়ারম্যানগন অভিযোগ করে বলেন- স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের সংস্কার করার জন্য এডিবি মাধ্যমে ৪০লাখ টাকা বরাদ্ধ পায় চারটি ইউনিয়ন। প্রতিটি ভবন সংস্কারের জন্য বরাদ্ধ দেয়া হয় ১০ লাখ টাকা।
কিন্তু বরাদ্ধের ১০ লাখ টাকার মধ্যে ভ্যাট ও অনন্যা খরচ বাবদ সাড়ে ৩ লাখ টাকা ও অফিসের নানা আনুষঙ্গিক খরচ কেটে রেখেছেন উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান। যে টাকা দিয়েছে সে টাকা দিয়ে কোন কাজ করা যাচ্ছে না।
এবিষয়ে সদর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান অস্বীকার করে বলেন, আমি সাড়ে ৩লাখ করে ভ্যাটের টাকার কথা কাউকে বলেনি। শুধু বলেছি কাজের বাবদ সাড়ে ৭ শতাংশ করে ভ্যাট দিতে হবে।
অপরদিকে ঠিকাদার নিয়োগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন আসলে এ কাজের কোন টেন্ডার দেওয়া হয় না যেকোন একজন ঠিকাদার দিয়ে কাজ করাতে পারলে হয়।
সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুছ বলেন- গত জুলাই মাসে চার ইউপি চেয়ারম্যানরা আমার কাছে আসেন এসে বলেন ২০২২-২৩ অর্থ বছরে আর এফ কিউর মাধ্যমে সংস্কারের জন্য বরাদ্ধ পায় চারটি ইউনিয়ন পরিষদ ৪০লাখ টাকা।
কিন্তু আমাদের না জানিয়ে সদর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান নিজের মনগড়া ঠিকাদার দিয়ে কাজ করাতে চায় বলেন অভিযোগ করেন এরপর আমি চার ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী নিয়ে বৈঠক করি বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় ইউপি চেয়ারম্যানরা সংস্কার কাজ গুলো করবেন এবং তার বিনিময়ে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশল কে সাড়ে তিন লাখ টাকা ভোট ও অন্যান্য খরচ বাবদ হবে।
অহিদুল ইসলাম অভি : রাঙামাটিতে সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা)-এর উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পর্যায়ের বর্তমান ও সাবেক নিব...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : বাংলার কাশ্মীর’খ্যাত পার্বত্য রাঙামাটির পাহাড়, হ্রদ আর ঝরনার নৈসর্গিক সৌন্দর্য দেখতে দিন দিন ব...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দাঙ্গায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজন, মাদক কারবারের অভি...বিস্তারিত
নাজিম আল হাসান : আসন্ন ৫ নম্বর ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কাপ্তাই উপজেলার ৫ নম্বর ওয়াগ্গা ইউনিয়নে...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) মানিকছড়ি মুন্সি আব্দুর রউফ চত্বরের উপরে একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে র...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : একদিকে পর্যটকের ভিড়, অন্যদিকে ব্যস্ত সড়ক ও বাণিজ্যিক এলাকায় নানা ধরনের অপরাধের ঝুঁকি; এমন বাস্তবত...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited