মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী বিক্রির অভিযোগে নানিয়ারচরে আটক ২ 


মাহাদি বিন সুলতান    |    ০৫:৫৯ পিএম, ২০২০-১০-১১

মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী বিক্রির অভিযোগে নানিয়ারচরে আটক ২ 

নানিয়ারচর উপজেলায় মেয়াদ উত্তির্ণ মেয়াদোত্তীর্ণ ও মেয়াদবিহীন খাদ্যসামগ্রী বিক্রির অভিযোগে ২জনকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুর ৩টায় অভিযোগের ভিত্তিতে লঞ্চঘাট এলাকা থেকে নিউ আর রহমান বেকারি'র সেলসম্যান মোহাম্মদ নিরব (২৪) ও মেয়াদবিহীন পণ্য পরিবহণকারী সিএনজি চালক মোঃ বদিউল আলম (৩৫) কে আটক করেছে নানিয়ারচর থানা পুলিশ। এসময় পণ্য পরিবহণকারী (চাট্রগ্রাম থ-১২৯২৮৬) সিএনজি আটক করে পুলিশ।এএস আই আলমগির এর নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি টিম আটক অভিযানে অংশগ্রহণ করেন। 

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, "রানিরহাট থেকে এসে নিউ আর রহমান বেকারি'র সেলসম্যান আল আমিন নানিয়ারচরে ঘিলাছড়ি, বগাছড়ি, ইসলামপুর ও নানিয়ারচর বাজারে বেকারি পণ্য বিক্রি করে। অদ্য তারিখে আল আমিন অসুস্থ থাকায় মোঃ নিরব সেলসে আসে। ইসলামপুর এলাকায় বিক্রির সময়ে সেলস ম্যামো না দেওয়া ও মেয়াদ উত্তির্ণ এবং মেয়াদবিহীন পণ্য দেখে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাধা দেয়। পরে গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় একটি চক্রের সহায়তায় তাদেরকে এই পণ্য বিক্রি না করার শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরে বিক্রেতা এলাকা ছেড়ে না গিয়ে ডাকবাংলা এলাকা এবং নানিয়ারচর সদর এলাকায় বিক্রয় করতে থাকে। এদিকে স্থানীয়দের মাঝে ঘটনা জানাজানি হওয়ায় নানিয়ারচরের ব্যবসায়ীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে নিউ আর রহমান বেকারীর মালিল তোফাজ্জল হোসেন মুঠোফোনে প্রতিবেদককে জানান, তারা প্রতিদিন মেয়াদযুক্ত পণ্য বিক্রি করেন। হাতেনাতে মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য পাওয়া গেছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তাদের যন্ত্রটি নষ্ট বলে এড়িয়ে যান।  

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী এক দোকানদার জানান, পাহাড়ী প্রত্যন্ত এলাকা হওয়ায় আমরা নিয়মিত বেকারী পণ্য ক্রয় করতে পারিনা। এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে জেলার বাইরে থেকে একটি চক্র দীর্ঘদিন যাবৎ নামে বেনামে ভেজাল, মেয়াদ উত্তির্ণ ও মেয়াদবিহীন খাদ্য-সামগ্রী বিক্রি করে যাচ্ছে। এব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

এব্যাপারে জানতে চাইলে নানিয়ারচর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাব্বির হোসেন জানান, বিক্রেতা ২ জন এই এলাকার নয় এবং সিএনজিটি ভাড়ায় চালিত হওয়ায় আটককৃত ২জন থেকে মেয়াদ উত্তির্ণ ও মেয়াদবিহীন পণ্য বিক্রি না করার শর্তে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।