‍‍"জয়ের হত্যাকারীদের গ্রেফতার না হলে হরতাল-অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারী"


নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ০৮:০৮ পিএম, ২০২২-০৩-১৮

‍‍

রাঙামাটি সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক জয় ত্রিপুরা হত্যার প্রতিবাদ, খুনীদের গ্রেফতারসহ শাস্তির দাবীতে রাঙামাটি শহরে বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জেলা- উপজেলা-পৌর ছাত্রলীগসহ ক্ষমতাসীনদলের কয়েক’শ নেতাকর্মী।

শুক্রবার (১৮মার্চ) সকাল ১০টায় রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলটি রাঙামাটি পৌরসভা প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়। এসময় রাঙামাটি-চট্টগ্রাম প্রধান সড়ক বন্ধ থাকে।

জেলা ছাত্রলীগ সভাপতির সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র ও জেলা যুবলীগের সভাপতি আকবর হোসেন চৌধুরী, রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শহীদুজ্জামান মহসিন রোমান, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম, জয় ত্রিপুরার মামা ঝিনুক ত্রিপুরা, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ চাকমা, রাঙামাটি সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি এইচএম আলাউদ্দিনসহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা।

প্রতিবাদ সমাবেশে জয় ত্রিপুরাকে হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তারা অতিসত্ত্বর দোষিদের গ্রেফতারের দাবি জানান। বক্তারা বলেন, বিভিন্ন সময়ে আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে হত্যা করা হচ্ছে। পাহাড়ে একটি সাম্প্রদায়িক শক্তি এসব হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। এ শক্তি চায় না পাহাড়িরা অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি করুক। জয় ত্রিপুরা অসাম্প্রদায়িক  ছাত্রলীগ রাজনীতি করে এ অপরাধে তাকে খুন করা হয়েছে।

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জয় ত্রিপুরা খুনের সাথে যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা না হলে তাহেল অবরোধ হরতাল দিয়ে রাঙামাটিকে অচল করে দেওয়া হবে” ঘোষণা দেওয়া হয় সমাবেশে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জয় ত্রিপুরার হত্যাকারীদের গ্রেফতার করতে হবে। না হলে রাঙামাটি অচল করে দেওয়া হবে বলে জানানো হয় প্রতিবাদ সমাবেশে। 

প্রসঙ্গত, বুধবার মধ্যরাতে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদককে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে মৃত্যু হয় জয় ত্রিপুরা। সে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উপ-প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন।