ব্যবসায়ি অপহরণ মামলার মুল আসামীকে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার


আলমগীর মানিক    |    ০৪:১৫ এএম, ২০২১-০৯-২৯

ব্যবসায়ি অপহরণ মামলার মুল আসামীকে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার

রাঙামাটির চন্দ্রঘোনা থানার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ব্যবসায়ি নুরুল আলম (৪০)কে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জড়িত মূলহোতা আব্দুস সালাম ওরফে হাতকাটা সালামকে অবশেষে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ।

গ্রেফতারের পর আসামী নিজেই অপহরণের ঘটনার সাথে তার সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এই ঘটনায় আসামীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে আরো একটি মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে বলে থানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

চন্দ্রঘোণা থানার অফিসার ইনচার্জ জানিয়েছেন, চলতি মাসের গত ১২ তারিখে রাউজানের পাচঁখাইন এলাকার বাসিন্দা মৃত ফয়েজ আহম্মেদ এর পুত্র ব্যবসায়ি মোঃ নুরুল আলম(৪০)কে একদল অস্ত্রধারি সন্ত্রাসী চন্দ্রঘোনা থানাধীন এলাকা থেকে তুলে নিয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে সেসময় চন্দ্রঘোনা থানায় পেনাল কোড এর ৩৬৪/৩৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। যাহার মামলা নাম্বার হলো-০২। তারিখ: ১২/০৯/২০২১ইং।

এই ঘটনায় তাৎক্ষনিকভাবেই চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ চর্তুমুখী অভিযানে নামে। পুলিশের ব্যাপক তল্লাসী অভিযানের মুখে ব্যবসায়ি নুরুল আলমকে হাত-পা ও মুখ বেধে ফেলে রেখে যায়। পরবর্তীতে চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ অপহৃতকে সরফভাটা ইউনিয়নের সিঙ্গাপুর মার্কেটের পাশর্^বর্তী জঙ্গল থেকে জীবিত এবং অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এই ঘটনার পরপরই একজন সন্ত্রাসীর নামোল্লেখ করে আরো কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি মামলা রুজু করে।

এই ঘটনার ধারাবাহিকতায় আসামীদের সনাক্তকরণে পুলিশের অব্যাহত প্রচেষ্ঠার ফলে অবশেষে মঙ্গলবার বিকেলে অপহরণের ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত আসামী হাতকাটা সালামকে গ্রেফতার করে চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ কর্তৃপক্ষ।

এসময় তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদকালে তার কাছে সেসময় ব্যবহৃত অস্ত্র ও কার্তুজ রয়েছে বলে পুলিশকে জানায় এবং পুলিশ সদস্য ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে আসামী সিঙ্গাপুর মার্কেট এর অদূরের পাহাড়ি জঙ্গলের মাটির নীচ থেকে দেশীয় তৈরি একটি একনলা বন্দুক ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।

এই ঘটনায় আসামীর বিরুদ্ধে অপহরণ মামলার পাশাপাশি অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন চন্দ্রঘোনা থানার অফিসার ইনচার্জ ইকবাল বাহার চৌধুরী।