ত্যাগী নেতৃত্বের স্বীকৃতি দাবি: মো. জাফর আহমেদকে জেলা পরিষদে দেখতে চায় তৃণমূল


বিলাইছড়ি প্রতিনিধি    |    ১০:২৭ পিএম, ২০২৬-০২-২৫

ত্যাগী নেতৃত্বের স্বীকৃতি দাবি: মো. জাফর আহমেদকে জেলা পরিষদে দেখতে চায় তৃণমূল

রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে বিলাইছড়ি উপজেলা থেকে সদস্য পদে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা মো. জাফর আহমেদকে মনোনয়ন দেওয়ার জোর দাবি উঠেছে।

স্থানীয় সাধারণ মানুষ, তৃণমূলের নেতা-কর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সচেতন নাগরিকরা তাকে এলাকার “আস্থার প্রতীক” হিসেবে উল্লেখ করে জেলা পরিষদে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

মো. জাফর আহমেদ বর্তমানে বিলাইছড়ি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রাম, আন্দোলন এবং দুর্গম পাহাড়ি জনপদের মানুষের পাশে থেকে কাজ করার কারণে তিনি এলাকায় সুপরিচিত।

স্থানীয়দের মতে, দলের চরম দুঃসময়ে যখন অনেকেই নীরব বা নিষ্ক্রিয় ছিলেন, তখন জাফর আহমেদ ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য ও ভোগ-বিলাস ত্যাগ করে দলকে সংগঠিত রাখতে নিরলস পরিশ্রম করেছেন।

জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে বিলাইছড়ি উপজেলা বিএনপিকে একটি সুসংগঠিত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি।

রাজপথের এই পরীক্ষিত নেতৃত্বই তাকে আজ সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা।

তাদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি জাফর আহমেদ সবসময় সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় থেকেছেন।

দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের যোগাযোগ সমস্যা, শিক্ষা-স্বাস্থ্য সংকট ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবার ঘাটতির বিষয়গুলো তিনি বারবার তুলে ধরেছেন এবং সমাধানের চেষ্টা করেছেন।

স্থানীয় বিশিষ্টজনরা মনে করেন, বিলাইছড়ির সার্বিক উন্নয়ন এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের জননেতা ও মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানের উন্নয়ন দর্শন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে জাফর আহমেদের মতো সৎ, সাহসী ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের বিকল্প নেই।

তাদের মতে, তাকে জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হলে দুর্গম এলাকার মানুষের প্রত্যাশা ও দাবি-দাওয়া যথাযথভাবে উপস্থাপিত হবে এবং উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।

তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা বলেন, “যিনি দলের দুর্দিনে হাল ধরেছেন এবং সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছেন, তাকে যেন যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়।”

তাদের বিশ্বাস, জাফর আহমেদ জেলা পরিষদে প্রতিনিধিত্ব করলে বিলাইছড়ির অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া জনপদগুলোতে উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত হবে এবং জনগণের সঠিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে।

এদিকে পুরো উপজেলাজুড়ে এখন একটাই প্রত্যাশা—দুঃসময়ের পরীক্ষিত, ত্যাগী ও কর্মীবান্ধব এই নেতাকে জেলা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখতে চান এলাকাবাসী।

বিলাইছড়ির উন্নয়ন ও জনকল্যাণে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে তার মনোনয়ন সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।