শহীদ জিয়া ও  সুবিমল দেওয়ানের শান্তি ও উন্নয়নের মশাল হাতে দীপেন দেওয়ান


আলমগীর মানিক    |    ০২:৩৪ পিএম, ২০২৬-০২-০৮

শহীদ জিয়া ও  সুবিমল দেওয়ানের শান্তি ও উন্নয়নের মশাল হাতে দীপেন দেওয়ান

এম. আর. হোসাইন জহির

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার শাসনামলের একটা বড় সময় শুধু মাত্র পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে ব্যয় করেছেন। শহীদ জিয়া যে জাতীয়তাদের প্রতিষ্ঠা করেছেন - তার ইতিহাস গবেষণা করলে দেখা যাবে এই পার্বত্য অঞ্চল ছিলো তার সূতিকাগার। জিয়াউর রহমানের পার্বত্য স্বপ্ন ও পরিকল্পনার প্রায় প্রতিটি অধ্যায়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে জড়িয়ে আছে তার আস্থাভাজন উপদেষ্টা সুবিমল দেওয়ানের নাম।

সুবিমল দেওয়ান ছিলেন বাংলাদেশে পাহাড়ি সম্প্রদায়, প্রতিবন্ধী ও সমাজের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে নিবেদিত একজন সমাজকর্মী, যিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক দুটো ক্ষেত্রেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষত ১৯৮০ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ট্রাইবাল এফেয়ার্স বিষয়ক উপদেষ্টা নিযুক্ত হয়ে তিনি পাহাড়ি সম্প্রদায়ের উন্নয়ন, প্রতিবন্ধীদের সহায়তা ও সামাজিক কার্যক্রমে ব্যাপকভাবে ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর কাজের একটি বড় অংশ ছিল পাহাড়ি এলাকা ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা।

সুবিমল দেওয়ান অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সরকার ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সেতুবন্ধনকারী ব্যক্তি হিসেবে কাজ করেন। পাহাড়ের সংকট বিষয়ে - শুধু সামরিক সমাধানের বিপক্ষে তাঁর নীতিগত অবস্থান ছিলো। তিনি বিশ্বাস করতেন: পাহাড়ের সমস্যা বন্দুক দিয়ে নয়, বিশ্বাস ও উন্নয়ন দিয়ে সমাধান করতে হবে। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার উপদেষ্টা সুবিমল দেওয়ানের পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে - উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, স্বাস্থ্যসেবা বিস্তার, পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি, পাহাড়ি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব, স্থানীয় নেতৃত্বকে প্রশাসনে যুক্ত করা, পাহাড়ি সমাজের নিজস্ব নেতাদের সাথে সংলাপ, আস্থা তৈরির বাস্তব সম্মত উদ্যোগ, সেনা ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে দূরত্ব কমানো, কঠোরতার পরিবর্তে মানবিক আচরণ প্রর্দশনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। যদিও সেই সময় পূর্ণ শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়নি, তবে সেই নীতিই পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালের পার্বত্য শান্তি চুক্তির ভিত্তি তৈরি করে। পার্বত্য অঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, চিকিৎসা, বিদ্যুৎ সংযোগ, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির, ব্রিজ কালভার্ট নির্মাণ সহ সামগ্রীক উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি - তিন পার্বত্য জেলার আনাচে-কানাচে ছুটে বেড়িয়েছেন। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সুবিমল দেওয়ানের পাহাড় উন্নয়ণ প্রচেষ্টার আরেক সাক্ষী ও সঙ্গী ছিলেন আজকের দীপেন দেওয়ান। পিতার সাথে সাথে থেকে তিনি পাহাড়ের সমস্যা গুলো স্বচক্ষে দেখেছেন; দেখেছেন সমাধানের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে বাস্তব সম্মত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা।

তিনি ছিলেন বাবার রাজনৈতিক সামাজিক ও দাপ্তরিক সফরের ছায়া সঙ্গী। যার ফলে - প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বাবা সুবিমল দেওয়ানের পার্বত্যাঞ্চল উন্নয়নের নানান অধ্যায় সরাসরি দেখে দেখে দীপেন দেওয়ান পেয়েছেন রাজনীতি ও রাষ্ট্র মেরামতের হাতে-কলমের শিক্ষা। মূলত; শহীদ জিয়া ছিলেন তার রাজনৈতিক আইকন এবং বাবা সুবিমল দেওয়ান ছিলেন তার শিক্ষক।

২৯৯, পার্বত্য রাঙামাটি সংসদীয় আসনের রাজনীতিতে এডভোকেট দীপেন দেওয়ান একজন বহুল কাঙ্খিত র্প্রাথী। কর্মী সমর্থক এবং সাধারণ জনগন মনে করে - তার মতো সৎ যোগ্য অভিজ্ঞ মেধাবী এবং ত্যাগী মানুষটিকে বিএনপি আরও আগেই মনোয়ন দেয়া উচিৎ ছিলো। তিনি শুধু নির্দিষ্ট একটি দলের একজন প্রার্থীই নন; বরং তিনি কর্মী সমর্থক ও সাধারণ মানুষের কাছে সততা ঐতিহ্য আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। তাই দেরিতে হলেও - তাকে প্রার্থী হিসেবে পেয়ে সকলেই উচ্ছ্বসিত। দীপেন দেওয়ান ১৯৬৩ সালের ৮ই জুন রাঙ্গামাটিতে জন্মগ্রহণ করেন। রাঙামাটি সরকারি কলেজ থেকে পাস করে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৮৪-৮৫ শিক্ষাবর্ষে আইন বিভাগে। সফলতার সাথে এলএলবি ও এলএলএম সম্পন্ন করে ৭ম বিসিএসে জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগদান করার মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি রাষ্ট্র ও জনগণের সেবায় মনোনিবেশ করেন।

জুডিশিয়ারি সার্ভিসে দীর্ঘ ১৯ বছরের কর্মজীবনে তার সবচেয়ে বড় অর্জন ”নো কম্প্রোমাইজ ইমেজ”। নানান লোভ লালসা উপেক্ষা করে এবং প্রতিকূলতার সাথে যুদ্ধ করে তিনি ন্যায় প্রতিষ্ঠার নীতিতে ছিলেন অটল ও আপোষহীন। তার কর্মজীবন এবং রাজনৈতিক জীবনে অন্যায় অথবা ক্ষমতার সাথে আপোষ করার কোন নজীর নেই। অনেকেই বলে - তিনি সামান্য আপোষ করলে অনেক আগেই আরও উপরে উঠে যেতেন। কিন্তু তিনি আত্মসম্মান আত্মমর্যাদা এবং অধ্যবসায়ের পথ আঁকড়ে ধরে টিকে আছেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সাথে বহু স্মৃতির কথা স্মরণ করতে গিয়ে তিনি আবেগ আপ্লুত হয়ে যান। তিনি বলেন - "বিভিন্ন সফরে বাবার সাথে থাকার কারণে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান থেকে স্নেহ ভালবাসা এবং সরাসরি অনেক কিছু শেখার সুযোগ পেয়েছিলাম।

জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর প্রথম যখন রাঙামাটি আসেন তখন আমি ইয়ুথ স্পোর্টিং ক্লাবের জন্য সহায়তা চেয়েছিলাম এবং তিনি সাথে সাথে ২৫০০০/- টাকা অনুদান দিয়েছিলেন। তার কাছে ক্রীড়া এবং শিক্ষা উন্নয়ন সংক্রান্ত যেকোন বিষয় নিয়ে আবেদন করেছি - তিনি আনন্দচিত্তে তা পূরণ করেছেন। আর ১/১১ এর কঠিন প্রেক্ষাপটে পার্বত্য অঞ্চলের নানান ইস্যু নিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার সাথে আলোচনা করতে গেলে - ম্যাডাম পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে সর্বোচ্চ জোর দেয়ার আশ্বাস দিয়ে আমাকে রাঙামাটি জেলা বিএনপির দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয়ার কথা বলেন।

তখন তারেক রহমানও একই পরামর্শ দিয়ে আমাকে বিএনপির তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে মাঠ গোছানোর জন্য নানান নির্দেশনা দেন। ম্যাডাম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের সেই কথায় আমি সরকারি চাকরি ছেড়ে দিয়ে এখনো সেভাবেই লেগে আছি। ম্যাডামের মৃত্যুর পরও তারেক রহমান আমার উপর আস্থা বিশ্বাস রেখে আমাকে নমিনেশন দিয়েছে। দীপেন দেওয়ান রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নকালে তৎকালীন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি (পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি) সালাহউদ্দিন আহমেদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুক্ত ছিলেন ছাত্রদলের রাজনীতির কেন্দ্র বিন্দুতে। উল্লেখ্য যে; বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম প্রভাবশালী স্থায়ী সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং দীপেন দেওয়ান একই সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৮ম ব্যাচের মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। জিয়াউর রহমানের অন্যতম বিশ^স্ত সহযোগী ও পরামর্শক হিসেবে বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন দীপেন দেওয়ানের পিতা সুবিমল দেওয়ান।

সুবিমল দেওয়ান রাঙামাটি জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, এবং পরবর্তীতে জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই সূত্রে রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে বর্তমান অবস্থানের নানান অধ্যায়ের পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায় মিশে আছে দেওয়ান পরিবারের ধারাবাহিক ও নিরলস চেষ্টা শ্রম আর ত্যাগের ইতিহাস। বিশেষ করে ১/১১ এর মতো কঠিন সময়ে দীপেন দেওয়ান দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ডাকে সাড়া দিয়ে - সিঃ যুগ্ম জেলা জর্জের চাকুরী ছেড়ে দেন এবং বেগম জিয়ার নির্দেশে কাঁেধ তুলে নেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির দায়িত্ব।

বিএনপির ইতিহাসের কঠিনতম সময়ে নানান জুলুম অত্যাচার ও অপমান সহ্য করে রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপিকে তৃণমূল পর্যায় থেকে সুসংগঠিত করেছিলেন। দলের অসংখ্য নেতাকর্মীর মামলা মোকদ্দমা সহ জুলুম নির্যাতনের ইস্যুতে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন ঢাল হয়ে। তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে- তিনি দলের দুঃসময়ে কখনও মাঠ ছেড়ে যাননি; কঠিন বিপদেও থেকেছেন দল আর কর্মীদের পাশে। মাঠে থেকেই লড়াই করেছেন ধৈর্য ও সাহসিকতার সঙ্গে। তিনি রাঙামাটি জেলা বিএনপির সফল সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বাবা ছিলেন শহীদ জিয়ার বিশ^স্ত সহযোদ্ধা; তিনি ছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার বিশ^স্ত সহযোদ্ধা।

আগামীর রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমানও সেই ধারাবাহিকতায় বিশ^স্ত সহযোদ্ধা হিসেবে আস্থা রেখেছেন দীপেন দেওয়ানের উপর। পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে দীপেন দেওয়ান বলেন- বিগত প্রায় দেড় যুগের বেশি সময় পাহাড়ের মানুষ সুষম উন্নয়ন ও সু-শাসন থেকে বঞ্চিত ছিলো। দায়িত্ব পালনকারী এমপি মন্ত্রীরা নিজ নিজ এলাকার লোকজনের মাধ্যমে পকেট ভারী করেছে। পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও বরাদ্দ বেশিরভাগ সময় বান্দরবান অথবা খাগড়াছড়ির কিছু নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে ভাগাভাগি করে লুটপাট করেছে। আমি মনে করি একজন আইন প্রণেতা তার চিন্তা চেতনা এবং দায়িত্ব কর্তব্যকে শুধুমাত্র নিজ নির্বাচনী এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ করার সুযোগ নেই। একজন আইন প্রণেতার চিন্তা চেতনা এবং দায়িত্ব কর্তব্য জাতীয় উন্নয়ণ পরিকল্পনা এবং সমগ্র জনগোষ্ঠীর সামগ্রীক কল্যাণ কেন্দ্রীক হওয়া উচিৎ।

পাহাড়ের জনগণ এমনিতেই পিছিয়ে আছে - তাই আমি নির্বাচিত হলে প্রথম থেকেই চেষ্টা করবো পাহাড়ের সুষম উন্নয়নের পক্ষে নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করতে। গুণগত মান সম্পন্ন শিক্ষা ও চিকিৎসার উপর গুরুত্ব দেয়া হবে। জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার সাথে যুক্ত করে পাহাড়ের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি সময়োপযোগী উন্নয়ন পরিকল্পণা প্রনয়ণ, পরিকল্পণা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দূর্ণীতি ও অবচয় রোধের উপর জোর দেবো।

পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কার্যকর ও সময়োপোযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। প্রশাসন ও জনগণের দূরত্ব কমিয়ে শান্তি সম্প্রীতি ও উন্নয়নমূখী যাত্রার সূচনা করা হবে। তিনি আরও বলেন; বেকার সমস্যা সমাধানে কর্মমূখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। পাহাড়ের মানুষের মেধা সততা ও পরিশ্রমের কারণে ঢাকা চট্রগ্রাম গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল গুলোতে পাহাড়ের মানুষের ব্যাপক সুনাম ও অবদান আছে। আমি মনে করি পাহাড়ে উৎপাদনমূখী শিল্প কারখানার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বিশ^াস করেন তারেক রহমান কতৃক ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে সু-শাসন ও সুষম উন্নয়নের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। জনাব দীপেন দেওয়ান রাঙামাটি আইন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তিনি আজীবন সদস্য; রেজিষ্ট্রার্ড গ্রাজুয়েট; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি রাঙামাটি ইউনিট এবং এফপিএবি রাঙামাটি জেলা’র আজীবন সদস্য।

ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি তাঁর সহধর্মিণী মৈত্রী চাকমার কাছে অত্যন্ত বন্ধুত্বপরায়ণ এবং সর্বোচ্চ দায়িত্ববান স্বামী। তার দুই কন্যার কাছে তিনি পৃথিবীর সেরা মানুষ হিসেবেই সম্মানিত। জনাব দীপেন শিক্ষা চিকিৎসা সহ সামাজিক সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের রক্ষ্যে ভারত সিঙ্গাপুর সহ বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন। তিনি সকলের প্রতি নির্বাচনী আচরণ বিধি ও আইন মেনে চলার পাশাপাশি আগামী ১২তারিখ উৎসবের আমেজে উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান।