পাহাড়ে পার্বত্য ভূমি কমিশনের বৈঠক ঘিরে নতুন শঙ্কা।


নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ১০:৩৪ পিএম, ২০২৫-১০-১৫

পাহাড়ে পার্বত্য ভূমি কমিশনের বৈঠক ঘিরে নতুন শঙ্কা।

সোহেল রিগ্যান

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি নিস্তব্ধতার আড়ালে আবারও জেগে উঠছে পুরনো আশঙ্কা, বিতর্কিত পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের কার্যক্রম। আগামী রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিতব্য পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের বৈঠক ঘিরে উদ্বেগের মেঘ ঘন হচ্ছে বাঙালি জনগোষ্ঠীর মনে। এই কমিশনের প্রধান কার্যালয় খাগড়াছড়িতে, আর রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে রয়েছে অস্থায়ী কার্যালয়। এর নতুন নেতৃত্বে এসেছেন অবসরপ্রাপ্ত আপিল বিভাগের বিচারপতি মুহাম্মদ আব্দুল হাফিজ, যিনি ২০২৫ সালের ২৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন (স্মারক নং: ৩১.০০.০০০০.০৪৯.১১.১২৮.২০১০.৪৭, স্বাক্ষরিত, এ এস এম সালেহ আহমেদ, সিনিয়র সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়)। এর আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির ৮ম সভায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের বিধিমালাও এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। ভূমিমন্ত্রী বিদেশ সফরে রয়েছেন৷ তিনি ফিরে আসলে কমিশনের বিধিমালা চূড়ান্ত করা হবে।

কমিশনের গঠন ও প্রতিনিধিত্বের বৈষম্য নিয়ে রয়েছে বাঙালিদের অভিযোগ:

কমিশনের গঠন কাঠামোই এর বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু। ৯ সদস্যের এই কমিশনে রয়েছেন: চাকমা, বোমাং ও মং সার্কেলের চীফ (৩), তিন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (৩), আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান (১), চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার (১) এবং চেয়ারম্যান (১)। অর্থাৎ, মোট ৭ জন সদস্যই উপজাতি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, যেখানে পার্বত্য বাঙালিদের কোনো সদস্য নেই।

এই বৈষম্যমূলক গঠন কাঠামো দীর্ঘদিন ধরেই বাঙালিদের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি করছে। অতীতে এই কমিশনের কার্যক্রম শুরু হলেই পার্বত্য বাঙালিরা হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচি দিয়েছে, যার ফলে কার্যত কমিশন কাজ এগিয়ে নিতে পারেনি। কিন্তু এবার সরকারের নির্দেশে কমিশন আবার সক্রিয় হচ্ছে, যা তাদের মনে আরও গভীর অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে।

আইন, রীতি ও প্রথার জটিলতা:

কমিশনের মূল কাজ নির্ধারণ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি-বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন, ২০০১ (৫৩ নং আইন) এবং এর ২০১৬ সালের সংশোধনী (৪৫ নং আইন)। ২০০১ সালের আইনের ৬ (১) ধারা অনুযায়ী কমিশন কাজ করবে "পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রচলিত আইন, রীতি ও পদ্ধতি অনুযায়ী।" অর্থাৎ, দেশের প্রচলিত ভূমি আইন নয়, বরং উপজাতিদের প্রথাগত রীতি হবে ভূমি মালিকানা নির্ধারণের মূল ভিত্তি।

২০১৬ সালের সংশোধনী আইন এই দিকটি আরও শক্তিশালী করেছে। সংশোধনের মাধ্যমে "আইন ও রীতি" শব্দ পরিবর্তন করে "আইন, রীতি ও পদ্ধতি" যুক্ত করা হয়, যার ফলে উপজাতি প্রথা এখন কার্যত বিচারিক ভিত্তি পেয়েছে।

ফলে জেলা প্রশাসকের দেওয়া খাস ভূমির বন্দোবস্ত, এমনকি ১৯৭৯ সালে পুনর্বাসিত বাঙালিদের বৈধ কবুলিয়তও “প্রথাগত পদ্ধতির বাইরে” হিসেবে বাতিলযোগ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ঘ-খণ্ডের ৩ ও ৪ ধারা, চুক্তির ভিতরে বৈষম্য:

১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ঘ খণ্ডের ৩ ও ৪ ধারা অনুযায়ী বলা হয়েছে,

৩) সরকার ভূমিহীন বা দুই একরের কম জমির মালিক উপজাতীয় পরিবারের ভূমির মালিকানা নিশ্চিত করিতে পরিবার প্রতি দুই একর জমি স্থানীয় এলাকায় জমির লভ্যতা সাপেক্ষে বন্দোবস্ত দেওয়া নিশ্চিত করিবেন। যদি প্রয়োজন মত জমি পাওয়া না যায় তাহা হইলে সেই ক্ষেত্রে টিলা জমির (গ্রোভল্যান্ড) ব্যবস্থা করা হইবে।

এখানে ভূমিহীনদের জমি দেওয়া প্রশংসনীয় পদক্ষেপ, তবে দুই একরের কম মালিকদেরও দুই একর বন্দোবস্ত দেওয়ার বিষয়টি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

৪) জায়গা-জমি বিষয়ক বিরোধ নিষ্পত্তিকল্পে একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি কমিশন (ল্যান্ড কমিশন) গঠিত হইবে। পুনর্বাসিত শরণার্থীদের জমি-জমা বিষয়ক বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি করা ছাড়াও এ যাবৎ যেইসব জায়গা-জমি ও পাহাড় অবৈধভাবে বন্দোবস্ত ও বেদখল হইয়াছে সেই সমস্ত জমি ও পাহাড়ের মালিকানা স্বত্ব বাতিলকরণের পূর্ণ ক্ষমতা এই কমিশনের থাকিবে। এই কমিশনের রায়ের বিরুদ্ধে কোন আপিল চলিবে না এবং এই কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে। ফ্রীঞ্জল্যান্ড (জলে ভাসা জমি)-এর ক্ষেত্রে ইহা প্রযোজ্য হইবে।

সরকারের ভূমি বিলুপ্তির আশঙ্কা:

যদি কমিশন এই ধারার আওতায় উপজাতি সদস্যদের মতামত অনুযায়ী রায় প্রদান করে, তবে সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রামে অবশিষ্ট ভূমি প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাবে। বর্তমানে সরকারের মালিকানাধীন ভূমি বলতে কেবল কাপ্তাই রিজার্ভ ফরেস্ট ও বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। অন্যান্য সরকারি সম্পত্তি, রাস্তা, বনাঞ্চল কিংবা খাস খতিয়ানভুক্ত ভূমিও “উপজাতি প্রথাগত অধিকারের আওতায়” দাবি করা হচ্ছে বা হবে।

১৯৭৯ সালে রাষ্ট্র কর্তৃক পুনর্বাসিত বাঙালিদেরকে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে যে খাস ভূমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছিল, তা সে সময় হিল ম্যানুয়েল বা পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশনের কিছু ধারার বাইরে গিয়েই করা হয়। কিন্তু সেই সময়কার পার্বত্য আধিপত্যের স্বার্থে রাষ্ট্রীয় প্রয়োজন ছিল, দেশের অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের পুনর্বাসন। বর্তমানে ভূমি কমিশনের আইন অনুযায়ী, ঐসব বন্দোবস্তকে “প্রথাগত পদ্ধতির বহির্ভূত” বলে বাতিল করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

এতে বোঝা যায়, কমিশনের পরবর্তী রায় যদি ঐসব ভূমি অবৈধ ঘোষণা করে, তবে পার্বত্য চট্টগ্রামে পুনর্বাসিত হাজারো বাঙালি পরিবার এক নিমিষে ‘অবৈধ দখলদার’ হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। বর্তমানে পাহাড়ে মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি বাঙালি জনগোষ্ঠী বসবাস করছে। এতে কেবল একটি সম্প্রদায় নয়, রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বও প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, কমিশন যদি তার ক্ষমতা প্রয়োগ করে ১৯৭৯ সালের পুনর্বাসিত বাঙালিদের খাস ভূমি বাতিল করে দেয়, তবে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক উপস্থিতি সংকুচিত হয়ে পড়তে পারে।

এর মধ্য দিয়ে পার্বত্য অঞ্চল ধীরে ধীরে পরিণত হতে পারে একটি “অর্ধস্বায়ত্তশাসিত ভূখণ্ডে।”

বাঙালিরা প্রশ্ন তুলেছেন, আমরা রাষ্ট্রের নিয়ম অনুযায়ী সরকারের কাছে ভূমির খাজনা প্রদান করি, আমাদের রয়েছে স্থায়ী বাসিন্দা সনদ, নাগরিকত্বের পূর্ণ প্রমাণপত্র এবং জমির বৈধ দলিলাদি। তাহলে রাষ্ট্রীয় আইন উপেক্ষা করে সরকার কীভাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধির তথাকথিত “প্রথাগত আইন”, যা বর্তমানে কার্যত মৃত আইন হিসেবে বিবেচিত, সেই বিতর্কিত আইনের অধীনে গঠিত একটি কমিশনের মাধ্যমে আমাদের ভূমি কেড়ে নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে আমাদের উচ্ছেদ করতে পারে?

একটি কমিশন তখনই গ্রহণযোগ্য হয়, যখন সেখানে উভয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয় এবং এর বিচারিক প্রক্রিয়া হয় আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও নিরপেক্ষ। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, কমিশন প্রথাগত, রীতি ও পদ্ধতির মত বিতর্কিত আইন এবং উপজাতি প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত এবং উপজাতিরা পার্বত্য চট্টগ্রামের সব ভূমির মালিকানা দাবি করছেন ব্রিটিশ শাসনবিধি (পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন) প্রথাগত আইনের ভিত্তিতে, যার পক্ষে কোনো প্রামাণ্য দলিল বা বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করা সম্ভব নয়।

সংবিধান ও কমিশনের রায়ের অসঙ্গতি:

আরও আশঙ্কাজনক হলো, কমিশনের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে কোনো আপিলের সুযোগ নেই।

অর্থাৎ কমিশনের রায়ই হবে চূড়ান্ত ও কার্যকর। বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ ও ১০৯ ধারায় নাগরিকদের বিচারপ্রাপ্তির অধিকার সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও এই কমিশন সেই অধিকারকে কার্যত অকার্যকর করে তুলেছে।

আইনজ্ঞরা একে বলেছেন: “একটি সাংবিধানিক বিচ্যুতি।” কারণ কোনো প্রশাসনিক বা আধা-বিচারিক সংস্থা যদি এমন ক্ষমতা পায় যে তার রায় চূড়ান্ত, তবে সেটি বিচারব্যবস্থার মৌলিক নীতিকেই ভেঙে দেয়।

প্রশাসনিক বাস্তবতা ও উপজাতি বাধা:

পার্বত্য চুক্তির ঘ খণ্ডের ২) সরকার ও জনসংহতি সমিতির মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর ও বাস্তবায়ন এবং উপজাতীয় শরণার্থী ও আভ্যন্তরীণ উপজাতীয় উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনের পর সরকার এই চুক্তি অনুযায়ী গঠিতব্য আঞ্চলিক পরিষদের সাথে আলোচনাক্রমে যথাশীঘ্র পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি জরিপ কাজ শুরু এবং যথাযথ যাচাইয়ের মাধ্যমে জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতঃ উপজাতীয় জনগণের ভূমি মালিকানা চুড়ান্ত করিয়া তাহাদের ভূমি রেকর্ডভূক্ত ও ভূমির অধিকার নিশ্চিত করিবেন।

এই প্রেক্ষিতে সরকার বহুবার পার্বত্য চট্টগ্রামের পূর্ণাঙ্গ ভূমি জরিপের উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই উপজাতি সশস্ত্র সংগঠনগুলোর বাধার কারণে তা স্থগিত হয়েছে। জরিপ না থাকায় এখনো পর্যন্ত জমির পরিমাণ, প্রকৃত মালিক ও দখলদার নির্ধারণ সম্ভব হয়নি। ফলে সরকারি খাস ভূমির সুনির্দিষ্ট বিভাজন আজও অনিশ্চিত। এই সুযোগেই কিছু প্রভাবশালী উপজাতি নেতা প্রথাগত অধিকারের অজুহাতে বিপুল পরিমাণ জমি দখল করে রেখেছে।

অন্যদিকে, সরকারি পুনর্বাসিত বাঙালিদের অনেকের ভূমি উপজাতি কর্তৃক বেদখল। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, উপজাতিদের দাখিল করা প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি আবেদন এখন কমিশনের নিকট জমা, যার অধিকাংশই বাঙালিদের বৈধ কবুলিয়তের জমিকে উপজাতি জমি দাবি করছে।

২০১৬ সালের সংশোধনী: ন্যায়বিচারের পথ সংকীর্ণ:

২০১৬ সালের সংশোধনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়,

কমিশনের চেয়ারম্যান এখন চাইলে এককভাবে সিদ্ধান্ত দিতে পারেন, যদি কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতবিরোধ হয়। অর্থাৎ, উপজাতি প্রভাবিত সাত সদস্যের সম্মিলিত মতের বিপরীতে চেয়ারম্যানের একক সিদ্ধান্তও রায় হতে পারে। এটি একদিকে প্রশাসনিক ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, অন্যদিকে জনগণকে বিচারিক অনিশ্চয়তায় ফেলে দেয়। এছাড়াও এই কমিশন ৩ বছরের জন্য গঠন এবং পরবর্তীতে সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের পরামর্শে বৃদ্ধি করতে পারবে বলে বলা হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি কমিশনের বৈঠক তাই কেবল একটি প্রশাসনিক সভা নয়, এটি বাংলাদেশের সংবিধান, নাগরিক অধিকার ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের পরীক্ষাক্ষেত্র। যদি কমিশন দেশের প্রচলিত ভূমি আইন ও সংবিধানের বাইরে গিয়ে উপজাতি প্রথা, রীতি ও পার্বত্য চুক্তির ধারা অনুযায়ী রায় প্রদান করে, তবে তা রাষ্ট্রের নিজস্ব ভূখণ্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণকে দুর্বল করবে।

এই প্রশ্ন শুধু পার্বত্য চট্টগ্রামের নয়, এটি বাংলাদেশের সার্বভৌম আইনব্যবস্থা ও প্রশাসনিক কাঠামোরও প্রশ্ন। তাই সরকারের উচিত হবে ভূমি কমিশনের কার্যপদ্ধতি পুনর্মূল্যায়ন করে সংবিধানের আলোকে ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা দেওয়া।

রাষ্ট্রের উচিত হবে, এই কমিশনের কার্যপদ্ধতি পুনর্বিবেচনা করা, ভূমি জরিপ সম্পন্ন করে প্রকৃত মালিকদের বৈধ কাগজপত্র দেখে স্বীকৃতি দেওয়া, এবং সর্বোপরি সংবিধানের আলোকে সমতা নিশ্চিত করা। অন্যথায়, পার্বত্য চট্টগ্রামের এই কমিশন হয়ে উঠবে বাংলাদেশের সংবিধানের এক নীরব প্রতিদ্বন্দ্বী।