নিজস্ব প্রতিবেদক | ০২:৫৫ এএম, ২০২৬-০৮-০৩
বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকের আহম্মেদ। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাসুম তালুকদারকে আটক করা হয়। পরে তাকে চন্দ্রঘোনা থানায় নিয়ে আসা হয় এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য রাঙামাটি সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ওসি সাকের আহম্মেদ বলেন, আটক ব্যক্তি কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের স্থানীয় নেতা হিসেবে পরিচিত। এছাড়া তার বিরুদ্ধে মাদক, বিশেষ করে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে বর্তমানে কোন সুনির্দিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত তথ্য জানাতে পারেননি তিনি।
চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশের দাবি, আটক মাসুম তালুকদারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে এবং তার বিষয়ে বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তথ্য এসেছে। এসব অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, পরিবারের সদস্যদের দাবি, রোববার বিকেল ৫টার দিকে চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশের একটি দল তাদের বাড়িতে গিয়ে মাসুম তালুকদারকে আটক করে নিয়ে যায়।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের ভাষ্যমতে, মাসুম তালুকদার দীর্ঘদিন ধরে রাজস্থলী উপজেলাজুড়ে মাদক সরবরাহ চক্রের অন্যতম সক্রিয় ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি পাইকারিভাবে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক সরবরাহ করে উঠতি বয়সী তরুণদের মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকের বিস্তার ঘটাতেন। এতে বহু তরুণ মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে এবং এলাকায় সামাজিক অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবাধে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করতেন। রাজনৈতিক পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে তার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আটক মাসুম তালুকদারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
মাদকবিরোধী সচেতন মহলের মতে, পার্বত্য অঞ্চলে মাদকের বিস্তার তরুণ সমাজের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠেছে। ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের সহজলভ্যতা শুধু ব্যক্তিগত জীবনই নয়, পরিবার ও সমাজব্যবস্থাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তাই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে, পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রাপ্ত অভিযোগসমূহ যাচাই করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আলমগীর মানিক : রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নবগঠিত সদস্যদের সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার, মাদক উদ্ধ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আলমগীর মানিক রাঙামাটির কাউখালীতে আট বছর বয়সী দ্বিতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় আ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আলমগীর মানিক মাদকাসক্ত ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আইনজীবীদের আরও কঠ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আলমগীর মানিক রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চার মাদক কারবারি, পাঁচ মাদকসেবী ও এক ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited