আলমগীর মানিক | ০৭:১৬ পিএম, ২০২৬-০৪-১২
রাজধানী ঢাকা-তে আজ সকালে পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসবসমূহ—বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান ও চাংলান—উদযাপন উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে পাহাড়ি ও বাঙালি সংস্কৃতির অপূর্ব মিলনমেলা দেখা যায়।
র্যালিটি শুরু হয় বেইলি রোডে অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স থেকে এবং শেষ হয় রমনা পার্ক-এর লেকে ‘বিজু ফুল’ অর্পণের মাধ্যমে।
পথে পথে অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী পোশাক, বাদ্যযন্ত্র ও নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, এমপি।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, অতীতে “বৈসাবি” নামকরণের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন জাতিসত্তার মধ্যে এক ধরনের বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই বৈষম্য দূর করে প্রতিটি জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয়কে সম্মান জানাতে বদ্ধপরিকর।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এখন থেকে প্রতিটি সম্প্রদায় তাদের নিজ নিজ উৎসব—যেমন বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান ও চাংলান—স্বতন্ত্র পরিচয়ে উদযাপন করবে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সমান মর্যাদা পাবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে পাহাড় ও সমতলের মানুষের মধ্যে কোনো বিভেদ থাকবে না। এই উৎসব সেই ঐক্যের প্রতীক।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রবর্তিত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনা ধারণ করে বর্তমান সরকার একটি “রংধনু জাতি” গঠনের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এই র্যালি সেই বহুত্ববাদী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চেতনারই প্রতিফলন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ঢাকায় বসবাসরত তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ।
সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
র্যালি শেষে রমনা পার্কের লেকে ফুল অর্পণ ও প্রার্থনার মাধ্যমে ‘ফুল বিজু’ উদযাপনের মধ্য দিয়ে দিনের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
সার্বিকভাবে এ আয়োজন পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে প্রতিফলিত হয়েছে।
মেহেদী হাসান : রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার ৩ নম্বর বুড়িঘাট ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য (মেম্বা...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় সফরকালে আরশিনগর ক্যাম্প ও পুলিশ লাইনস পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের à...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামালির সাজেকে সড়ক অবরোধকারীদের ওপর হামলা, লাঠিচার্জ এবং ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুরের অভিযোগের প...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে অà¦...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আলমগীর মানিক রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে অবরোধের মধ্যে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপত্তা দ...বিস্তারিত
আজগর আলী খান : রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুই সপ্তাহব্যাপী কুটিà¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited