মেহেদী হাসান | ০৬:০৬ পিএম, ২০২৬-০১-০২
রাঙামাটির ফুরমোন পাহাড়ে পর্যটকদের সঙ্গে মোবাইল ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও নানামুখী হয়রানির অভিযোগে ইউপিডিএফের সশস্ত্র তৎপরতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙামাটি জেলা শাখা।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজ শেষে রাঙামাটি শহরের কাঠালতলী মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বনরূপা চত্বরে এসে প্রতিবাদ সমাবেশে পরিণত হয়।
সমাবেশে পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পিসিসিপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য (পর্যটন বিষয়ক আহ্বায়ক) মো. হাবীব আজম। আরও বক্তব্য দেন পিসিএনপির রাঙামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোলায়মান, সহ-সভাপতি কাজী জালোয়া, যুব পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. নূর হোসেনসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, ফুরমোন পাহাড়ে ঘুরতে আসা পর্যটকরা প্রায়ই ইউপিডিএফের অস্ত্রধারী সদস্যদের দ্বারা হুমকি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভয়ভীতি প্রদর্শন, অপদস্থ করা এমনকি অপহরণের আশঙ্কাও তৈরি করা হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন।
এর ফলে পর্যটকদের কাছে রাঙামাটি ধীরে ধীরে আতঙ্কের জায়গায় পরিণত হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা অবৈধভাবে ফুরমোন পাহাড় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে পর্যটকদের স্বাভাবিক চলাচলে বাধা দিচ্ছে।
তল্লাশির নামে মোবাইল ফোন ছিনতাই, বড় অঙ্কের চাঁদা দাবি এবং নারী পর্যটকদের সঙ্গে অশোভন আচরণের মতো ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
ভয়ের কারণে অনেক ভুক্তভোগী প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে বলে জানান তারা।
ভুক্তভোগী এক পর্যটক সুমন বলেন, “ফুরমোন পাহাড় থেকে পুরো রাঙামাটি শহর এক নজরে দেখা যায়।
এমন একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পটে দিনের আলোতে অস্ত্রধারীদের প্রকাশ্য বিচরণ আমাদের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।”
সমাবেশে বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে টেকসই শান্তি বজায় রাখা এবং পর্যটন শিল্প রক্ষায় অবিলম্বে কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
রাঙামাটিসহ তিন পার্বত্য জেলার সব পর্যটন কেন্দ্রকে সন্ত্রাসমুক্ত করার জোর দাবি জানান তারা।
সমাবেশ থেকে পিসিসিপির নেতারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত ও বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা না করলে পর্যটন খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তারা।
আলমগীর মানিক : আলমগীর মানিক রাঙামাটির কাউখালীতে আট বছর বয়সী দ্বিতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় আ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আলমগীর মানিক রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চার মাদক কারবারি, পাঁচ মাদকসেবী ও এক ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া কলেজ পরিদর্শন করেছেন সাবেক পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আলমগীর মানিক পাহাড়ের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : পাহাড়ের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে জনকল্যাণমুখী দর্শন ও চিন্তাভাবনা ধারণ করে সুবিধাব...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : দীর্ঘ ১ বছর ৯ মাস ৯ দিন, অর্থাৎ মোট ৬৪৯ দিন দায়িত্ব পালনের পর রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের (আরএইচড...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited