নিজস্ব প্রতিবেদক | ০২:২৪ পিএম, ২০২৫-১২-৩১
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক অনন্য অনুপ্রেরণা।
ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে মোট ৩৫টি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে ২২টি মামলায় তিনি খালাস এবং বাকি ১৩টি মামলায় অব্যাহতি পান।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ফেনী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য উঠে আসে।
হলফনামা অনুযায়ী, বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর মধ্যে ২০০৭ সালে দুটি, ২০১০ সালে একটি, ২০১৩ সালে একটি, ২০১৪ সালে দুটি, ২০১৫ সালে সর্বাধিক ১৬টি, ২০১৬ সালে ১০টি, ২০১৭ সালে দুটি এবং ২০২৪ সালে একটি মামলা করা হয়।
এসব মামলার সবকটিই ২০২৪ ও ২০২৫ সালের মধ্যে নিষ্পত্তি হয়।
ঢাকা ছাড়াও কুমিল্লা, খুলনা, নড়াইল ও পঞ্চগড় জেলায় আওয়ামী লীগ সরকারের নেতাকর্মীরা বাদী হয়ে এসব মামলা দায়ের করেন বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।
পরে তার আইনজীবীরা দাবি করেন, এসব মামলা ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
মামলাগুলোতে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, মানহানি, রাষ্ট্রদ্রোহ, হত্যা, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ, বোমা হামলা, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের নিয়ে কটূক্তি, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, তথাকথিত ‘মিথ্যা জন্মদিন’ পালন এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়।
এসব মামলার মধ্যে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যান্য মামলাগুলোর বিচার প্রক্রিয়া চলমান ছিল।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় ঘোষণার পর ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়।
তিনি টানা দুই বছর এক মাস ১৬ দিন কারাভোগ করেন। পরবর্তীতে করোনাভাইরাস মহামারির সময় আওয়ামী লীগ সরকার তার সাজা স্থগিত করে শর্তসাপেক্ষে তাকে বাসায় থাকার সুযোগ দেয়।
বয়সজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগলেও একাধিকবার আবেদন করার পরও তাকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তার বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক মামলাগুলোতে একে একে খালাস পেতে শুরু করেন তিনি।
এ বিষয়ে ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার বলেন, ‘ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকেই শেখ হাসিনা বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়েছেন।
এসব মামলা ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ। ঢাকায় অবস্থান করলেও তাকে চৌদ্দগ্রামে গাড়িতে হামলার মামলার আসামি করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকার সময় গুরুতর অসুস্থতা সত্ত্বেও তাকে যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি।’
আলমগীর মানিক : রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নবগঠিত সদস্যদের সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার, মাদক উদ্ধ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আলমগীর মানিক রাঙামাটির কাউখালীতে আট বছর বয়সী দ্বিতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় আ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আলমগীর মানিক মাদকাসক্ত ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আইনজীবীদের আরও কঠ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আলমগীর মানিক রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চার মাদক কারবারি, পাঁচ মাদকসেবী ও এক ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited