নিজস্ব প্রতিবেদক | ০১:০৮ এএম, ২০২৫-১০-২১
বান্দরবানের রুমা উপজেলায় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর নারী-পুরুষসহ ৬৪৬ জন রোগী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন।
এর মধ্যে ২৮০ জন রোগী ওষুধ ও চশমা গ্রহণের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ২৬২ জন রোগীকে ছানি অপারেশনের জন্য বাছাই করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব রোগীর ছানি অপারেশন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চট্টগ্রামের লায়ন্স হাসপাতালে করা হবে।
সোমবার (২০ অক্টোবর ২০২৫) সকাল ৯টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত রুমা উপজেলার ২নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে এ চক্ষু চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কেএস মং-এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ১নং পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমা, রুমা সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অংসিনু মারমা এবং রেমাক্রি প্রাংসা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিরা বমের নেতৃত্বে এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
উদ্বোধনকালে প্রধান উদ্বোধক কেএস মং বলেন,চক্ষু চিকিৎসা সেবা মানব জীবনের অন্যতম উত্তম সেবা।
এ উপলব্ধি থেকেই রোয়াংছড়ি উপজেলাসহ বিভিন্ন স্থানে আমি নিজ উদ্যোগে এমন কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। ভবিষ্যতে নাইক্ষ্যংছড়ি, লামা ও আলীকদম উপজেলাতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩৬ বীর রুমা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মেহেদী সরকার। তিনি বলেন,চিকিৎসা ক্যাম্পের মাধ্যমে দুর্গম এলাকার মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সেনাবাহিনী সবসময় কাজ করে যাচ্ছে। বান্দরবানে যদি সবাই মিলেমিশে উন্নয়নে কাজ করে, তাহলে শিগগিরই এ অঞ্চল সম্প্রীতি ও উন্নয়নের দৃষ্টান্ত হবে।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমা।
চট্টগ্রাম লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সৌমেন তালুকদার ও তাঁর চিকিৎসক দল চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
শিক্ষা ও মানবসেবা সংস্থা কোয়ান্টামের পরিচালক সাইফুর রহমান জুয়েল জানান,চট্টগ্রাম লায়ন্স হাসপাতালের এমন মানবিক চিকিৎসা কার্যক্রমে আমরা আগেও সহযোগিতা করেছি এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।”
চক্ষু বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে ক্যাম্পে দুই শতাধিক রোগী বিনামূল্যে চোখের প্রাথমিক চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা পেয়েছেন। ছানি আক্রান্ত ২৬২ জন রোগীকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে চট্টগ্রামের লায়ন্স দাতব্য চক্ষু হাসপাতালে সম্পূর্ণ বিনা খরচে অপারেশনের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে একই দিন ৩৬ বীর রুমা জোনের উদ্যোগে সদর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে আরেকটি সাধারণ চিকিৎসা ক্যাম্পও অনুষ্ঠিত হয়।
সেখানে চিকিৎসা সেবা দেন এসএমসি ও আরএমও চিকিৎসক ক্যাপ্টেন মো. সোহাগ মিয়া সজীব এবং এএমসি ও আরএমও চিকিৎসক ক্যাপ্টেন ওমর ফারুক। এ ক্যাম্পে চক্ষু রোগী ছাড়াও অন্যান্য রোগে আক্রান্ত অনেক মানুষ চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
স্থানীয়রা জানান, পাহাড়ি এলাকার দরিদ্র জনগণের জন্য এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এতে তারা ঘরে বসেই কাঙ্ক্ষিত চক্ষু চিকিৎসা সেবা পেয়ে উপকৃত হয়েছেন।
অহিদুল ইসলাম অভি : রাঙামাটিতে সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা)-এর উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পর্যায়ের বর্তমান ও সাবেক নিব...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : বাংলার কাশ্মীর’খ্যাত পার্বত্য রাঙামাটির পাহাড়, হ্রদ আর ঝরনার নৈসর্গিক সৌন্দর্য দেখতে দিন দিন ব...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দাঙ্গায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজন, মাদক কারবারের অভি...বিস্তারিত
নাজিম আল হাসান : আসন্ন ৫ নম্বর ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কাপ্তাই উপজেলার ৫ নম্বর ওয়াগ্গা ইউনিয়নে...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) মানিকছড়ি মুন্সি আব্দুর রউফ চত্বরের উপরে একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে র...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : একদিকে পর্যটকের ভিড়, অন্যদিকে ব্যস্ত সড়ক ও বাণিজ্যিক এলাকায় নানা ধরনের অপরাধের ঝুঁকি; এমন বাস্তবত...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited