নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮:০৭ পিএম, ২০২৬-০২-০২
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত গণভোট বিষয়ক জনসচেতনতামূলক মতবিনিময় সভায় রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাবিপ্রবি) থেকে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের নির্বাচন নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, মনোনীত দশজন শিক্ষার্থী প্রতিনিধির মধ্যে অন্তত চার থেকে পাঁচজন প্রকৃত ‘জুলাই যোদ্ধা’ নন এবং জুলাই আন্দোলনে তাঁদের কোনো সরাসরি অংশগ্রহণও ছিল না।
বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অডিটোরিয়ামে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে গণভোট বিষয়ক জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা সংক্রান্ত এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
এ বিষয়ে রাবিপ্রবির ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক এবং সহকারী অধ্যাপক সাদ্দাম হোসেন বলেন,
“বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দূরে অবস্থান করায় রাবিপ্রবি’র একজন ‘জুলাই যোদ্ধা’ শিক্ষার্থীকে প্রতিনিধি মনোনয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তিনি মোট ১৭ জনের একটি তালিকা তৈরি করে আমার কাছে জমা দেন।
তবে ইউজিসি কর্তৃক সর্বোচ্চ দশজন শিক্ষার্থীকে অংশগ্রহণের অনুমতি থাকায় বাকিদের সুযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্তভাবে দশজন শিক্ষার্থীকে অনুমোদন দেয়।”
তবে প্রশাসনের এই ব্যাখ্যা শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ দূর করতে পারেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাবিপ্রবির শিক্ষার্থী বাদশা সুলেমান এক পোস্টে বলেন,
“এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে প্রহসন করেছে। কোন যুক্তিতে এমন ভুয়া জুলাই যোদ্ধাদের দিয়ে আহতদের ও আন্দোলনের প্রতিনিধিত্ব করানো হলো?”
আরেক শিক্ষার্থী মাবরুর আবিদ তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন,
“ইউজিসি’র বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু রাবিপ্রবি থেকে কোন প্রক্রিয়ায় এই শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হয়েছেন, তা আমার বোধগম্য নয়।”
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনের প্রতিনিধি নির্বাচনের দায়িত্ব এককভাবে একজনের হাতে ছেড়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এতে শুধু দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়ই পাওয়া যায় না, বরং পুরো আন্দোলনের ভাবমূর্তিও প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
এ অবস্থায় ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতিনিধি মনোনয়নের ক্ষেত্রে আরও উন্মুক্ত, অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি ও আহ্বান জানিয়েছেন রাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা।
মেহেদী হাসান : রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার ৩ নম্বর বুড়িঘাট ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য (মেম্বা...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় সফরকালে আরশিনগর ক্যাম্প ও পুলিশ লাইনস পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের à...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামালির সাজেকে সড়ক অবরোধকারীদের ওপর হামলা, লাঠিচার্জ এবং ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুরের অভিযোগের প...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে অà¦...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আলমগীর মানিক রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে অবরোধের মধ্যে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপত্তা দ...বিস্তারিত
আজগর আলী খান : রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুই সপ্তাহব্যাপী কুটিà¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited