নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২:৩১ পিএম, ২০২৫-০৪-২০
শান্তি প্রতিষ্ঠায় চুক্তি সই হলেও সেই শান্তি আজও চোখে দেখেনি পাহাড়ের মানুষ। চুক্তির শর্ত হিসেবে সেনা ক্যাম্প সরানো হয়েছে ঠিকই, কিন্তু কমেনি অপরাধ। উল্টো দিনকে দিন বেড়েছে। পুলিশের কার্যক্রমও খুব একটা বাড়েনি তিন জেলায়। ফলে শঙ্কা নিয়ে দিন কাটান স্থানীয়রা। শর্ত হিসেবে পাহাড় থেকে একের পর এক সেনা ক্যাম্প গুটিয়ে নেয় সরকার। ধীরে ধীরে গুটিয়ে নেয়া হয় ৯৫টি সেনা ক্যাম্পসহ বিভিন্ন বাহিনীর ২৪১টি ক্যাম্প।
একের পর এক ক্যাম্প সরানো হলেও অবৈধ অস্ত্র মুক্ত হয়নি পাহাড়, বন্ধ হয়নি খুনোখুনিও। জনসংহতি সমিতি ও ইউপিডিএফসহ চারটি সংগঠনের সদস্যদের হাতে রয়ে গেছে অসংখ্য অস্ত্র। যে অস্ত্রের ভান্ডারতো কমছেই না উল্টো দিন দিন সমৃদ্ধ হচ্ছে। প্রত্যাহার হওয়া সেনা ক্যাম্পগুলোর জায়গায় পুলিশি কার্যক্রম জোরদার করার পরিকল্পনা থাকলেও; বাস্তবায়ন হয়নি সেটিও। ফলে আতঙ্ক নিয়েই থাকতে হয় বাসিন্দাদের।
স্থানীয়রা জানান, আমাদেরকে এখানে বাঁচাতে হলে অবশ্যই সেনা ক্যাম্পের দরকার আছে, সন্ত্রাসীরা কাউকে ভয় করছে না, তারা সরাসরি অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে চলাফেরা করে । সেনাবাহীনির ক্যাম্পগুলো সরিয়ে ফেলায় সন্ত্রাসীদের তৎপরতা আরও বেড়ে গেছে। অস্থায়ী হোক আর স্থায়ী হোক অন্তত ছোট পরিসরে হলেও সেনা ক্যাম্প খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাহলে আমরা স্বস্থির নিশ্বাস ফেলতে পারবো। আর তা না হলে সন্ত্রাসীদের দমানোর কেউ নাই।
বর্তমানে তিন পার্বত্য জেলায় সেনা ক্যাম্প রয়েছে ১১৩টি। যা দিয়ে শান্তি বজায় রাখতে নিজেদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কাজ করছেন বলে জানান সেনা সদস্যরা। অভিযোগ মিলেছে, নিজেদের চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধ ঢাকতে নিরীহ পাহাড়িদের কাছে সেনাবাহিনীকে নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ায় সশস্ত্র সংগঠনগুলো।
বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার বলেন, কিছু জায়গায় আমাদের কাজ করতে অনেক অসুবিধা হয়। বিশেষ করে পাহাড়অদ্যুসিত রোমা, থানচি, রোয়াংছড়ি, লামা, নাইকাংছরিসহ রিমোট এলাকাগুলো যেখানে আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিশ ক্যাম্প নেই।
এমন সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে পাহাড়ে নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে সরকারের নতুন করে ভাবা উচিত বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মাহফুজ পারভেজ বলেন, সেনাক্যাম্প তুলে দিলেন কেন? সেনাক্যাম্প থাকা তো জাতীয় নিরাপত্তার অংশ। এ ব্যাপারে কোনো রাজনৈতিক দলের কিছু বলার থাকার কথা নয়। কথা বললে এটা দেশদ্রোহিতার সামিল হবে। আমার সীমান্তের ওইপাশে যদি বিদ্রোহ চলে তাহলে দেশের নিরাপত্তা দিবে কে। এখন যেহেতু ইন্ডিয়ার সেভেন সিস্টারে সংঘাত চলছে, মিয়ানমারে সংঘাত চলছে ফলে বাংলাদেশের নিরাপত্তানীতি কী হবে এটা আমাদের নীতিনির্ধারকরা নির্ধারণ করবেন।
বর্তমানে সেনা সদস্যদের পাশাপাশি ৩৭টি বিজিবি, ১৪টি এপিবিএন, ১০টি আনসার এবং ৩২টি পুলিশ ক্যাম্প শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে পাহাড়ে ।
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া কলেজ পরিদর্শন করেছেন সাবেক পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আলমগীর মানিক পাহাড়ের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : পাহাড়ের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে জনকল্যাণমুখী দর্শন ও চিন্তাভাবনা ধারণ করে সুবিধাব...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : দীর্ঘ ১ বছর ৯ মাস ৯ দিন, অর্থাৎ মোট ৬৪৯ দিন দায়িত্ব পালনের পর রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের (আরএইচড...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে রাঙামাটির লংগদু উপজেলার বগাচত্বর ইউনিয়নের বৈরাগী বাজারে মাদকবিরোধ...বিস্তারিত
মনির হোসেন : ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিমন্ত্রী ব্যারিষ্টার মীর মোহ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited