আলমগীর মানিক | ০৫:৩৫ পিএম, ২০২৬-১০-২২
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হওয়া পর্যটকবাহী গাড়িবহর আটকে পড়ে। পরে পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, বেলা ১১টার দিকে সাজেকের উজোবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকেও একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গোলাগুলি চলছিল। এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান তিনি।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু করেন সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের নেতাকর্মীরা।
সকাল সাড়ে আটটার দিকে সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে ছেড়ে আসা পর্যটকবাহী গাড়িগুলো উজোবাজার এলাকায় পৌঁছালে অবরোধের মুখে পড়ে। পরে বেলা ১১টার দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সড়কের ব্যারিকেড সরিয়ে গাড়িবহর নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় প্রথমে ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং পরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে বলে সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।
এদিকে, সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির পথে প্রায় তিন হাজার পর্যটককে বহনকারী গাড়িবহর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দীঘিনালা এলাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। তবে সব পর্যটক নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছেছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। গোলাগুলির ঘটনায় হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির নির্ভরযোগ্য তথ্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
অবরোধকারী সংগঠনগুলোর অভিযোগ, সাজেকের বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র সদস্যদের তৎপরতা ও হুমকির কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অভিযুক্তদের এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে তারা এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। তবে এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
এর আগে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় বুধবার, ২১ অক্টোবর, সন্ধ্যা সাতটা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। সেখানে অবস্থানরত পর্যটকদের বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার মধ্যে সাজেক ত্যাগ করে নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সাজেকে গোলাগুলির ঘটনায় পর্যটন, সড়ক যোগাযোগ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা, অবরোধ প্রত্যাহার এবং পর্যটকসহ স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মেহেদী হাসান : রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার ৩ নম্বর বুড়িঘাট ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য (মেম্বা...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় সফরকালে আরশিনগর ক্যাম্প ও পুলিশ লাইনস পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের à...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামালির সাজেকে সড়ক অবরোধকারীদের ওপর হামলা, লাঠিচার্জ এবং ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুরের অভিযোগের প...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে অà¦...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক : আলমগীর মানিক রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে অবরোধের মধ্যে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপত্তা দ...বিস্তারিত
আজগর আলী খান : রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুই সপ্তাহব্যাপী কুটিà¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited