রাঙামাটি বিএনপির সম্মেলন: সভাপতি পদে শাহ আলম-ভুট্টো এবং সম্পাদক পদে ৩ নেতা


নিজস্ব প্রতিবেদক    |    ১১:৪১ এএম, ২০২১-১১-১২

রাঙামাটি বিএনপির সম্মেলন: সভাপতি পদে শাহ আলম-ভুট্টো এবং সম্পাদক পদে ৩ নেতা

আগামী ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সম্মেলন ঘিরে রাঙামাটি জেলায় নির্বাচনী আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে ছুটে যাচ্ছেন নিজেদের পরিকল্পনার কথা বলে ভোট চাইছেন। রাঙামাটি জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয় সূত্রে জানা যায়- দলীয় সম্মেলনে অংশ নিতে ইতিমধ্যে নোমিনেশন পেপার বিক্রয় ও গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে যার মধ্যে- সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি আলহাজ্ব মো. শাহ আলম ও সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভূট্টো নোমিনেশন পেপার জমা দিয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক দীপন তালুকদার দীপু, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক এ্যাড. মামুনুর রশিদ মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. সাইফুল ইসলাম পনির। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে জেলা যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাকিল, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদ চৌধুরী, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মোর্শেদ আলম। 
আলহাজ্ব মো. শাহ আলমঃ
এবিষয়ে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. শাহ আলম জানান- আমি কাউন্সিলরদের কাছ থেকে যথেষ্ট সাড়া পাচ্ছি এবং জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী। রাঙামাটির প্রেক্ষাপটে আমি হামালা মামলাকে ভয় করিনা আর সম্মেলন সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য আমরা সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিষয়ে তিনি বলেন আমরা ইতিমধ্যে ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছি। নমিনেশন পেপার গ্রহণ ও জমাদান সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, দল থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশন একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিবে বলে আমি আশাবাদী। 
রাজনৈতিক পরিচিতিঃ আলহাজ্ব মো. শাহ আলম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাঙামাটি জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এরপর ধাপে ধাপে তিনি বাঘাইছড়ি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এরপর সভাপতি। পৌর বিএনপির পরপর ২বার সভাপতি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর বর্তমানে জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 
সাইফুল ইসলাম চৌধুরী (ভুট্টো)ঃ
সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- কাউন্সিলররা পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। দলের নেতা কর্মীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে হবে এবং বিএনপিকে আগামীতে দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় আনার জন্য ১দফার যে আন্দোলন। আর এ ১দফা আন্দোলনে অবতীর্ণ করার লক্ষ্যে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি পদে আমি নির্বাচন করছি। আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী কাউন্সিলরদেগর কাছ থেকে যথেষ্ট সাড়া পাচ্ছি। 
সাবেক পৌর মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য, জেলা যুবদলের সাবেক নির্বাচিত সহ-সভাপতি, নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।  
সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো তৃণমূল পর্যায় থেকে রাজনীতিতে উঠে আসার পাশাপাশি সামাজিক, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথেও জড়িত আছেন। তিনি বর্তমানে- ডিসট্রিক্ট ফুটবল এসোসিয়েশন (ডিএফএ)’র সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এদিকে তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, রাঙামাটি জেলা শাখার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জেলা ক্রীড়া সংস্থার তিনি সাবেক সেক্রেটারী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রতিভাষ ক্লাবের সভাপতি হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন ৩ প্রার্থী বর্তমান সাধারণ সম্পাদক দীপন তালুকদার দীপু, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এ্যাড. মামুনুর রশিদ মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. সাইফুল ইসলাম পনির।  
দীপন তালুকদার (দীপু)ঃ
রাঙামাটি জেলা বিএনপির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক দীপন তালুকদার (দীপু) জয়ের ব্যপারে আশাবাদী তিনিও কাউন্সিলরদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছেন। তিনি বলেন, জয় পরাজয় মূখ্য বিষয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে সকলকে সাথে নিয়ে আন্দোলন সংগ্রামে এগিয়ে যাবেন। 
তিনি সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সভাপতির দায়িত্ব পালনের পর ২০১০ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত জেলা বিএনপির সিঃ যুগ্ম-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর অদ্যাবধি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 
এ্যাড. মামুনুর রশিদ মামুনঃ
জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক ও সদর থানা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. মামুনুর রশিদ মামুন বিএনপির সম্মেলনের কাজে কাপ্তায়ের কারিগড় পাড়ায় মোটরসাইকেল এক্সিডেন্ট করে পায়ে ১৪টি সেলাই নিয়েই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি বলেন- আমি সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচনের লক্ষ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল কাউন্সিলরের বাড়ি বাড়ি গিয়ে আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেছি। বর্তমানে মোটরসাইকেল এক্সিডেন্ট করে আমি বাসায় পড়ে আছি। সকলকের সাথে যোগাযোগ করে আমি ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি এবং জয়ের ব্যপারে আমি আশাবাদী। আমি ২০১৫ সালেও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করেছি, হেরে যাওয়ার পরও সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক হিসেবে সকলকে সাথে নিয়ে দায়িত্ব পালন করেছি সকল আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি দল ছেড়ে যাইনি। যিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন উনাকে সাথে নিয়ে কাজ করে গিয়েছি আমার মধ্যে কোন দন্দ বা বিভেদ ছিলনা এখনো নেই। যেহেতু সামনে কাউন্সিল দল পরিচালনার জন্য পরিক্ষা দিতে হবে এবং পরিক্ষা দিয়েই নেতৃত্বে আসতে হবে। আমি বিএনপি পরিবারের সদস্য আমার বাবা দীর্ঘদিন এ এলাকায় সকলকে নিয়ে কাজ করে গেছেন, আমি চাচ্ছি সাবেক সভাপতি মরহুম নাজিম উদ্দীন আহমেদ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম জহির আহমেদ যে উদ্দেশ্য দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সকলের অধিকার নিশ্চিত করেছেন। আমি যদি সুযোগ পাই সিনিয়র জুনিয়র মেইন্টেইন করে পাহাড়ি-বাঙ্গালী সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করে যাব। তিনি বলেন, রাজনৈতিক মামলাসহ ব্যক্তিগত মামলার ক্ষেত্রেও আমি দলীয় নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছি।  আমার উদ্দেশ্য তুলে ধরার পর কান্সিলরদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি এবং জয়ের ব্যপারে আমি শতভাগ নিশ্চিত।  
বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি রাঙামাটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি, ছাত্রদলের মাঝেরবস্তি আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি, রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি, রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভিপি পদপ্রার্থী, রাঙামাটি শহর ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি, রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের (সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি), কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক, জেলা বিএনপির কার্যকরী সদস্য, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি, জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক, ২বার নির্বাচিত সদর উপজেলা বিএনপির সভপতি, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 
এ্যাড. সাইফুল ইসলাম পনিরঃ
সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী বর্তমান জেলা বিএনপির নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. সাইফুল ইসলাম পনিরের সাথে এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- সর্বশেষ ২০১৫ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এরপর জেলা বিএনপির আওতাধীন সকল উপজেলা কমিটি পুণর্গঠনের পর জেলা বিএনপির সম্মেলনের জন্য আগামী ১৩ নভেম্বর তারিখটি ধার্য করা হয়েছে। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে রাঙামাটিতে উৎসবমূখর পরিবেশ বিরাজ করছে। এই সম্মেলনে আমি একজন সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী। দলের নির্দেশিত সকল কর্মসূচী আন্দোলন সংগ্রাম এবং দলকে সু-সংগঠিত করার লক্ষ্যে যেকোন কর্মসূচীতেই আমার পদচারণা ছিল। রাজপথের আন্দোলন, দলীয় কর্মসূচী পালনসহ মিথ্যা মামলা হামলায় জর্জরিত নেতাকর্মীদের আদালত পাড়ায় আইনগত সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে আমি দীর্ঘ সময় দরে নেতা কর্মীদের পাশে অবস্থান করছি। আমি বিশ্বাস করি যে, নেতাকর্মীরা সাধারণ সম্পাদক পদে আমাকে সেভাবে মূল্যায়ন করবে এবং সেরকম সাড়াই আমি নেতাকর্মীদের কাছ থেকে পাচ্ছি। আমি আরো বিশ্বাস করি যে, আমাকে আগামী ১৩ তারিখ জেলা বিএনপির সম্মেলনে নেতাকর্মীরা বিপুল ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেবেন। 
১৮৮৪ সালে ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে রাজনৈতিক জীবনের পথচলা শুরু এরপর ধাপে ধাপে রাঙামাটি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, শহর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি, কেন্দ্রীয় কামিটির সদস্য, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও সভাপতি, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক, দুই দুই বার নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক। এছাড়াও তিনি জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।  
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৩জন তারা হলেন জেলা যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাকিল, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদ চৌধুরী, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাবেক নেতা মোর্শেদ আলম। 
সাইফুল ইসলাম শাকিলঃ
রাঙামাটি জেলা যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাকিলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সারাদেশে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায় থেকে সংগঠিত করার জন্য যে কার্ডক্রম শুরু করেছে তার অংশ হিসেবে রাঙামাটিতে যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদলসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন সম্মেলনের মাধ্যমে বিভিন্ন কমিটি গঠন করেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রাঙামাটিতে জেলা বিএনপি সম্মেলনের লক্ষ্যে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আমি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচনে অংশ নিতে নমিনেশন পেপার সংগ্রহ ও জমা দিয়েছি। দীর্ঘদিন ছাত্র রাজনীতি করেছি যুব রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়েছি। দুই দুইবার যুবদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিভন্ন আন্দোলন সংগ্রামে যুবদলের সভাপতি হিসেবে যেভাবে অংশগ্রহণ করেছি আগামীতে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হলে জনগণের অধিকার আদায়ের সকল আন্দোলন সংগ্রাম আরো বেগবান করবো। কাউন্সিলরদের কাছ থেকে কেমন সাড়া পাচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন- আমি যেহেতু দুই দুই বারের যুবদলের সভাপতি দীর্ঘদিন যাবৎ যুবদলের রাজনীতির সাথে জড়িত আছি তাই যখন আমি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক হিসেবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং কাজ করে যাচ্ছি তারপর থেকে কাউন্সিলরদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। বিভিন্ন উপজেলার কাউন্সিলররা আমার জন্য কাজ করছে আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।
জেলা যুবদলের দুই দুই বার নির্বাচিত সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাকিল তৃণমূল পর্যায় থেকে বিএনপির রাজনীতি করে এসেছেন, তিনি পর ২বার জেলা যুবদলের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জেলা বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক পদেও আছেন। তিনি ৪নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি, স্কুল কমিটির সভাপতি, কলেজ ও জেলা কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শহিদ চৌধুরীঃ
জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদ চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সিনিয়র একজন রানীতিবিদ হিসেবে দলের সকল কাউন্সিলরদের প্রতি আমার একটাই আবেদন আগামী দিনের দূর্বার আন্দোলনকে সংগঠিত করার লক্ষে আমাকে ভোট দিবে আমি সেই প্রত্যাশা করি। আমি সকল কাউন্সিলরদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি তারা আমাকে সাধুবাদ ও ধন্যবাদ জানচ্ছে। অতীতে দলকে সু-সংগঠিত করার লক্ষ্যে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করেছি আগামীতে সুযোগ পেলে দলকে আরো সু-সংগঠিত করে আগামী দিনে দলের নির্দশিত সকল আন্দোলন সংগ্রামে অংশ নিব। আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। 
শহিদ চৌধুরী ১৯৭৮ সালে ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যাত্রা শুরু করার মাধ্যমে বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন এরপর ধাপে ধাপে জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, সাধারণ সম্পাদক, জেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক, ২০০০ সালে জেলা বিএনপির সদস্য, ২০০৮ সালে জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০১৫ সালেও জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে অদ্যাবধি দায়িত্ব পালন করছেন। 


মোর্শেদ আলমঃ
কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাবেক নেতা মোর্শেদ আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি, রাঙামটি জেলা বিএনপির আসন্ন সম্মেলনকে কেন্দ্র করে জেলার আওতাধীন সকল কাউন্সিলর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। পাশাপাশি তিনি সকলের সহযোগিতা কমানা করে বলেন, আগামী দিনের সকল আন্দোলন সংগ্রামে নবী-প্রবীণ সকলে কাধে কাধ মিলিয়ে রাজপথে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সারা বাংলাদেশে এখন পরিবর্তনের বাতাস বইছে, সেই সুবাদে রাঙামাটিতেও কাউন্সিররা ভোটের মাধ্যমে তার প্রতিফলন ঘটাবে এবং নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি করবে। যারা নির্বাচিত হবে তারা সকলরেক নিয়ে ১টি নতুন কমিটি করে আগামী দিনের আন্দোলনকে আরো বেগবান করবে। কাউন্সিলরদের কাছে কেমন সাড়া পাচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাউন্সিলরদের কাছে আমি যথেষ্ট সাড়া পাচ্ছি তারা পরিবর্তন চাচ্ছে আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। 
বিএনপি পরিবারের সদস্য মোর্শেদ আলমের পিতা জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মোর্শেদ আলম চন্দ্রোঘোনা ইউনিয়ন যুবদলের নেতা, তারপর ধাপে ধাপে কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির নেতা, স্বেচ্ছাসেবকদল ঢাকা দক্ষিণের সাবেক নেতা, বর্তমানে স্বোচ্ছাসেবকদল কেন্দ্রীয় প্রস্তাবিত কমিটির নেতা হিসেব দায়িত্ব পালন করছেন। 
মোর্শেদ আলম তার রাজনৈতিক জীবনে প্রায় দেড় ডজন রাজনৈতিক মামলার আসামী। ২২১দিন কারাভোগ, ২৫দিন রিমান্ড, ৪বার প্রকাশ্যে হামলার শিকার ও ৬বার গ্রেফতার হয়েছেন।